গাড়ি ওষুধের, সরবরাহ হচ্ছে এনার্জি ড্রিংস

Print

%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%b0%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%b9-%e0%a6%b9%e0%a6%9a%e0%a7%8d%e0%a6%9b%e0%a7%87

রাজধানীতে জরুরি ওষুধ সরবরাহের নামে চলছে প্রকাশ্যে ব্লাক হর্স নামের এনার্জি ড্রিংস সরবরাহ। ওষুধ সরবরাহের নামে এনার্জি ড্রিংস সরবরাহকে কেন্দ্র করে জনমনে দেখা দিয়েছে না প্রতিক্রিয়া। কেউবা বলছে, সাধারণ এনার্জি ড্রিংস ছাড়াও যে অন্য কিছু সরবরাহ হয় না তার কি নিশ্চয়তা আছে। আবার কেউবা বলছে নকল এনার্জি ড্রিংস সরবরাহ করার জন্য ওষুধ সরবরাহের কাজে নিয়োজিত পরিবহনটি ব্যবহার করা হচ্ছে।
রবিবার (০৬ নভেম্বর) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস এর একটি জরুরি ওষুধ সরবরাহের গাড়িতে ব্লাক হর্স নামক এনার্জি ড্রিংস সরবরাহের ঘটনা ঘটে। গাড়ির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ম ৫৪২২৪০।
সরেজমিনে দেখা যায়, গাড়িতে জরুরি ওষুধ সরবরাহ লেখা থাকলেও ভিতরে ব্লাকহর্স এনার্জি ড্রিংস এর কয়েক শত ক্যান। গাড়িটি সকাল থেকে ব্লাক হর্স নামক পণ্যটি নিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে সরবরাহের কাজে নিয়োজিত রয়েছে। ক্যাম্পাসে গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালসের এনার্জি ড্রিংস ব্লাক হর্সের একটি প্রচারণামূলক খেলাধুলার আয়োজন করেন তারা। অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের জন্যই মূলত ব্লাক হর্স নামক পণ্যটি সরবরাহ করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে ব্লাকহর্সের একটিভেশন ম্যানাজার রিয়াজ হোসেন ব্রেকিংনিউজকে বলেন, ‘এটা আমাদের মাদার কোম্পানি গ্লোব ফার্মাসিউটিক্যালস এর গাড়ি। আজ ট্রান্সপোর্টের অভাবে অফিস থেকে আমাদেরকে এ গাড়িটি ব্যাবহার করতে বলা হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘আসলে ওষুধ সরবরাহের এ গাড়িটি আমরা আবার ডেকোরেশন করে ব্লাক হর্সের কাজে ব্যবহার করবো। তাই আমাদেরকে এখন থেকেই এই গাড়িটি ব্যাবহার করার জন্য অনুমতি দেয়া হয়েছে।’
এ গাড়িতে এনার্জি ড্রিংস সরবরাহ কতটুকু যুক্তিযুক্ত জানতে চাইলে রিয়াজ বলেন, ‘বাংলাদেশে অনেক কিছু অনেক অনিয়ম করে চলে। তবে ওষুধ সরবরাহের গাড়িতে ড্রিংস সরবরাহ করা আমাদের উচিৎ হয়নি।’
এদিকে এ ধরনের গাড়িতে ব্লাকহর্স পণ্য সরবরাহের বিষয়ে জবি শিক্ষার্থীদের মনে দেখা দিয়েছে নানা প্রশ্ন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থী মনিরুজ্জামান ব্রেকিংনিউজের কাছে বলেন, `এভাবে চোরের মত ওষুধ সরবরাহের নামে এনার্জি ড্রিংস সরবরাহ করে আমাদের ক্যাম্পাসে আসতে দিতে পারি না। এটা এক ধরনের কমন সেন্স।’

ফারহানা নামের এক নারী শিক্ষার্থীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অ্যাম্বুলেন্সে যেমন রোগী পরিবহনের নামে সাধারণ মানুষ বা যাত্রী পরিবহণ অন্যায় তেমনি ওষুধ সরবরাহের নামে এনার্জি ড্রিংস সরবরাহ সত্যি রহস্যজনক।’
বিষয়টি জবি প্রক্টর মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নুর মুহাম্মদের কাছে অবহিত করলে তিনি ব্রেকিংনিউজকে বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে কিছু জানতাম না। আপনার কাছেই শুনলাম। তবে এ ধরনের কাজ অবশ্যই অন্যায়।’

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 136 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ