গুলিতে বিএনপি নেতা নিহতের ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা

Print

%e0%a6%97%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%a4%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%8f%e0%a6%a8%e0%a6%aa%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a6%be-%e0%a6%a8%e0%a6%bf%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a7%87গুলিবিদ্ধ হয়ে রাজশাহী জেলা বিএনপির সহসভাপতি খন্দকার মাইনুল ইসলাম (৫৯) নিহত হওয়ার ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার দুপুরে পুলিশ বাদী হয়ে নগরীর বোয়ালিয়া মডেল থানায় এ মামলা দায়ের করে।

রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র সিনিয়র সহকারী কমিশনার ইফতেখায়ের আলম শুক্রবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মাইনুল ইসলামকে হত্যা করা হয়েছে, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তার এক ছেলেসহ তিনজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। পরে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। তারা দাবি করেছেন, মাইনুল ইসলাম আত্মহত্যা করেছেন। তাই এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যুর মামলায় দায়ের করা হয়েছে।
বুধবার দুপুরে রাজশাহী মহানগরীর হোসনীগঞ্জ এলাকায় নিজ বাসায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন মাইনুল ইসলাম। বাড়ির বাইরে বসার একটি ছোট ঘরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পড়ে ছিলেন তিনি। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
মাইনুল ইসলাম যে স্থানে আহত অবস্থায় পড়ে ছিলেন, তার একটু দূর থেকে তার লাইসেন্স করা পিস্তলটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়ায় হতাশা থেকে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।
মাইনুল ইসলাম রাজশাহী মহানগর বিএনপির সহসভাপতি ছিলেন। বর্তমানে তিনি জেলা বিএনপির সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ ছাড়া তিনি রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির পরিচালক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 49 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ