গ্রামীণফোনের খুঁটির জোর কোথায়

Print

%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a7%80%e0%a6%a3%e0%a6%ab%e0%a7%8b%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%81%e0%a6%81%e0%a6%9f%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%9c%e0%a7%8b%e0%a6%b0বারবার অনুমোদনহীন ব্যবসায় জড়াচ্ছে মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন। সেবা কার্যক্রম নিয়ে যাত্রা শুরুর পর থেকে রাজস্ব ফাঁকিসহ বেশ কয়েটি অনিয়ম করেছে প্রতিষ্ঠানটি। তারপরও ব্যবসায় ভাটা পড়েনি। বরং দুর্দান্ত প্রতাপে এগিয়ে যাচ্ছে। তাই স্বভাবতই জনমনে প্রশ্ন উঠেছে, গ্রামীণফোনের খুঁটির জোর কোথায়?
২০১৩ সালে এক পর্যায়ে আলোচনাও শুরু হয়, গ্রামীণফোনের লাইসেন্স বাতিলের বিষয়টিও সামনে আসে। সকারের গঠিত গ্রামীণ ব্যাংক কমিশন এক প্রতিবেদনে ‘গ্রামীণফোনের লাইসেন্স অবৈধ’ উল্লেখ্য করে তা বাতিলের সুপারিশ করে।
কিছুদিন আগেই অবৈধ ইন্টারনেট ব্যবসার দায়ে ৩০ কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে অপারেটরটির। আর সবশেষ ‘উবার’ ট্যাক্সি সেবা নিয়ে আবারও বড় অনিয়মে জড়ালো কোম্পানিটি।
জানতে চাইলে বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ নিউজবাংলাদেশকে বলেন, “আমরা কাউকে কোনো ধরনের ছাড় দেব না। বিটিআরসি গ্রামীণফোনকে নজরে রেখেছে বলেই এসব অনিয়ম সামনে আসছে। আইন ও বিধি মোতাবেক সব অনিয়মের জন্য তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।”
উবার অনুমোদনহীন
গত ২০ নভেম্বর থেকে ঢাকার রাস্তায় চালু হয়েছে স্মার্টফোনভিত্তিক ট্যাক্সিসেবা ‘উবার’। এ সেবার উদ্বোধন করেছেন সরকারের তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক। কিন্তু বিআরটিএ কিংবা ট্রাফিক পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট কোনো কর্তৃপক্ষকেই বিষয়টি জানানো হয়নি। সেবাটি চালু করার তিনদিন পর ‘উবার’ ট্যাক্সিসেবাকে অবৈধ বলেছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। গণমাধ্যমে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে তা জানিয়েছে সংস্থাটি।
বিজ্ঞপ্তির শিরোনাম, স্মার্টফোন ট্যাক্সিসেবা ‘উবার’ বেআইনিভাবে ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস প্রদান হতে বিরত থাকা সংক্রান্ত বিআরটিএর বিজ্ঞপ্তি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দৈনিক পত্রিকায় ‘স্মার্টফোনে ট্যাক্সিসেবা উবার চালু হলো ঢাকায়’ শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের প্রতি বিআরটিএর দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। বিআরটিএ তথা সরকারের অনুমোদন ব্যতীত কোনো ট্যাক্সিক্যাব সার্ভিস পরিচালনা করা সম্পূর্ণ বেআইনি, অবৈধ ও শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
বিআরটিএ বলছে, ট্যাক্সিক্যাব পরিচালনা হয়ে থাকে ট্যাক্সিক্যাব সেবা নীতিমালা-২০১০’ অনুয়ায়ী। কোনো কোম্পানি ট্যাক্সিক্যাব পরিচালনা করতে চাইলে তাকে অবশ্যই বিআরটিএর মাধ্যমে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের অনুমতি নিতে হবে। ভাড়ায় চালিত বা রেন্ট এ কার হিসেবে পরিচালিত মোটরকার ও মাইক্রোবাস পৃথক সিরিজে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এ ছাড়া মোটরযান বিধিমালা অনুযায়ী প্রতিটি মোটরকার ও মাইক্রোবাসের পৃথক রঙ (কালো বড়ি ও হলুদ টপ) থাকা এবং মোটরযান অধ্যাদেশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় রুট পারমিট গ্রহণ বাধ্যতামূলক।
কিন্তু গ্রামীণফোন এসবের কোনো অনুমোদন না নিয়েই ‘উবার’ কোম্পানিকে ঢাকায় এনেছে।
‘গো ব্রডব্যান্ড’ অনুমোদন না নিয়ে চলেছে
বেআইনিভাবে ইন্টারনেট সেবা ‘গো ব্রডব্যান্ড’ চালু করে মোবাইল অপারেটরটি। শুধু তাই নয়, বিটিআরসির করা ৩০ কোটি টাকা না দিতে ফন্দিফিকির করছে গ্রামীণফোন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও কোম্পানিটি জরিমানার অর্থ পরিশোধ করেনি। অথচ একই অভিযোগে, সংশ্লিষ্ট অপর দুই প্রতিষ্ঠান জরিমানা পরিশোধ করেছে।
জানতে চাইলে বিটিআরসি চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ নিউজবাংলাদেশকে সোমবার সকালে বলেন, “বেআইনিভাবে গ্রামীণফোনের ‘গো ব্রডব্যান্ড’ সেবা চালু করেছে। এ বিষয়ে অভিযোগ আসা এবং তদন্তে তা প্রমাণিত হওয়ায় অপারেটরটিকে জরিমানা করা হয়েছে।”
বিটিআরসির অনুমোদন না নিয়েই গ্রামীণফোন চালু করে ব্রডব্যান্ডভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা ‘গো’। এতে গ্রামীণফোনের সঙ্গী হয় এডিএন টেলিকম ও অগ্নি সিস্টেমস। গ্রামীণফোন এই সেবা দিচ্ছিল সোনালী ব্যাংককে। আইএসপিএবি অভিযোগ জানালে আইন না মেনে সোনালী ব্যাংককে এই ধরনের সেবা দেয়ায় গ্রামীণফোনকে কেন আর্থিক জরিমানা করা হবে না, সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়।
গত ১৩ জুন বিটিআরসির কমিশন বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, সোনালী ব্যাংক গ্রামীণফোনের কাছ থেকে ‘গো ব্রডব্যান্ড’ সেবা নিতে পারবে না। সোনালী ব্যাংকের ৫১১টি শাখায় অনলাইন ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হতো গো ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ব্যবহার করে। গ্রামীণফোনের এই অনিয়মের বিরুদ্ধে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি বিটিআরসিতে অভিযোগ জানায় ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (আইএসপিএবি)। গত ৩০ মার্চ বিটিআরসি এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিতে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দেয় গ্রামীণফোনকে। কমিশন ওই চিঠিতে গ্রামীণফোনের কাছে ৬টি বিষয়ে ব্যাখ্যা জানতে চায়।
লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ উপেক্ষিত
২০১৩ সালে সরকারের গঠিত কমিটি গ্রামীণব্যাংক ইস্যুতে তদন্ত করতে গিয়ে প্রমাণ পায় লাইসেন্স নিতে অনিয়ম করেছে ফোন কোম্পানিটি। কমিশন লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশও করে। করণীয় ঠিক করতে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করতে ঢাকায় ছুটে আসেন গ্রামীণফোনের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান সিগভের্রেক্কে। তিনি ঢাকা আন্তজার্তিক বিমানবন্দরে নেমেই চলে যান সচিবালয়ে। সেখানে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বসেন।
সূত্র জানায়, কমিশনের প্রতিবেদনটি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের হাতে জমা দেয়ার পর টনক নড়ে গ্রামীণফোনের।
সূত্র মতে, গ্রামীণফোনের ৫৫ দশমিক ৮ শতাংশ শেয়ার হোল্ডার নরওয়ের টেলিযোগাযোগ প্রতিষ্ঠান টেলিনরের কাছে। বাকি ৩৪ দশমিক ২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে গ্রামীণ টেলিকমের হাতে। আর ১০ শতাংশ গ্রামীণ টেলিকমের মূল ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ ব্যাংকের সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে।
সূত্র মতে, কমিশনের চেয়ারম্যান ছিলেন সাবেক আমলা মামুন উর রশিদ। কমিশনের অন্য দুই সদস্য হিসেবে রয়েছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আজমালুল হোসাইন কিউসি এবং চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ড মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ।
সূত্র জানায়, সেই প্রতিবেদনের ১৩৩ থেকে ১৩৫ পৃষ্ঠায় গ্রামীণফোনের ব্যাপারে বলা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ১৯৯৬ সালের ৫ নভেম্বর গ্রামীণ টেলিকম, টেলিনর এবং গণফোন একটি সমঝোতা চুক্তি সই করে একটি কনসোর্টিয়াম গঠন করে একটি টেলিফোন কোম্পানি গঠন করে। সেখানে ৪৪ দশমিক ৫ শতাংশ শেয়ার টেলিনরের হাতে, ৫১ শতাংশ গ্রামীণ টেলিকমের কাছে এবং সাড়ে ৪ শতাংশ গণফোনের কাছে রাখার প্রস্তাব করা হয়।
কশিনের প্রতিবেদন অনুসারে, গ্রামীণফোন ১৯৯৬ সালের ১১ নভেম্বর সরকারের সঙ্গে চুক্তি করে এবং একই বছরের ২৮ নভেম্বর লাইসেন্স পায় গ্রামীণ কনসোর্টিয়াম এবং ১৯৯৭ সালের ২৬ মার্চ এটি কার্যক্রম শুরু করে। তবে সরকার লাইসেন্স দিয়েছে গ্রামীণ কনসোর্টিয়ামকে। গ্রামীণফোনের নামে কোনো লাইসেন্স দেয়নি। তাই এর ব্যবসা অবৈধ। সরকারকে দ্রুত এর লাইসেন্স বাতিলের সুপারিশ করা হয়েছে কমিশনের সুপারিশে।
মোবিক্যাশ বির্তক
২০১৪ সালের জুলাইয়ে নতুনভাবে বিতর্কে জড়ায় গ্রামীণফোন। মোবিক্যাশের অনুমোদন মূলত ক্রিকেট ম্যাচ ও ট্রেনের টিকিট ক্রয়সংক্রান্ত সেবাদানের। এর বাইরে বিভিন্ন ইউটিলিটি (পরিষেবা) বিল পরিশোধের সেবা দিতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। আর কোনো সেবার অনুমতি নেই মোবিক্যাশের। তার পরও এর মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মোবাইল ব্যাংকিং চালু করে গ্রামীণফোন।
মোবিক্যাশের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের জন্য গ্রামীণফোনের সঙ্গে চুক্তি করেছে বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা, ওয়ান, ইউসিবিএল, মার্কেন্টাইল ও ইসলামী ব্যাংক। একটিমাত্র চুক্তির আওতায়ই মোবিক্যাশের প্রায় ৫৫ হাজার এজেন্টের মাধ্যমে সেবাটি দিচ্ছে তারা, যা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস নীতিমালার লঙ্ঘন। কারণ নীতিমালায় সুস্পষ্ট বলা আছে, এ সেবার সঙ্গে সম্পৃক্ত প্রত্যেক এজেন্টের সঙ্গে চুক্তি করতে হবে সংশ্লিষ্ট ব্যাংককে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া চিঠিতে মোবিক্যাশের মাধ্যমে গ্রামীণফোনকে তিন ধরনের সেবার অনুমোদন দেয়। এগুলো হলো- ক্রিকেট ম্যাচ ও ট্রেনের টিকিট ক্রয় এবং পরিষেবা বিল পরিশোধ। আর মোবাইল ব্যাংকিং বিষয়ে এ সংক্রান্ত নীতিমালায় বলা হয়েছে, এ সেবা অবশ্যই ব্যাংকের মাধ্যমে দিতে হবে। সেলফোন অপারেটররা শুধু প্রযুক্তিগত সহায়তা দেবে। তবে বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের নজরে এলে চিঠি দিয়ে গ্রামীণফোনকে সেবা বন্ধ করতে নির্দেশ দেয়া হয়।
বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং চালু হয় ২০১১ সালের ৩১ মার্চ। এ সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়ন হয় একই বছরের ২০ ডিসেম্বর; মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনাকারী সব ব্যাংককে যা মেনে চলার নির্দেশ দেয়া হয়। নির্দেশনা ভঙ্গে লাইসেন্স বাতিল করার কথাও বলা হয়। কিন্তু মোবিক্যাশের ক্ষেত্রে এ নির্দেশনা লঙ্ঘন হয়েছে, যা নিয়ে চিন্তিত খোদ কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
রাজস্ব ফাঁকিতেও এগিয়ে গ্রামীণফোন
দেশের শীর্ষ মোবাইল ফোন অপারেটর গ্রামীণফোন রাজস্ব ফাঁকিতেও শীর্ষে। সরকারের পাওনা ৪ হাজার ৬শ’ কোটি টাকার রাজস্ব পরিশোধ না করেও বহাল তবিয়তে ব্যবসা করছে প্রতিষ্ঠানটি। নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি এই টাকা উদ্ধারে অসংখ্য চিঠি, লিগ্যাল নোটিশ এমনকি মামলা করেও আজও টাকা পায়নি। প্রশ্ন উঠেছে, এই ফোন কোম্পানির খুঁটির জোর কোথায়?
বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন) চেয়ারম্যান ড. শাহজাহান মাহমুদ নিউজবাংলাদেশকে বলেন, “আমরা পাওনা আদায়ে কঠোর। কেউ একটি টাকাও না দিয়ে ছাড় পাবে না। আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করছি।”
প্রাপ্ত তথ্য মতে, রাজস্ব ফাঁকি দেয়া খাতগুলোর মধ্যে বিটিআরসির সঙ্গে রেভিনিউ শেয়ারিং খাতে (২০১০ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত) ২১৬ কোটি ৫৮ লাখ টাকা, ৩০ শতাংশ হারে বিটিআরসির জেড অ্যামাউন্ট খাতে ৪৬ কোটি ৫২ লাখ টাকা, ভয়েস, এসএমএস ও ইন্টারনেট (সিডিআর তথ্য অনুযায়ী) খাতে ৫৩ কোটি ৩৭ লাখ টাকা, ফ্রিকোয়েন্সি খাতে ১ কোটি ২০ লাখ টাকা, হ্যান্ডসেট ও বেইস স্টেশনের রয়্যালিটি বাবদ ৫৯৯ কোটি ৩৪ লাখ টাকা, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পাওনা সুদসহ ৮৮৭ কোটি ৫৬ লাখ টাকা এবং পুরো বকেয়ার ওপর ১৫ শতাংশ হারে সুদ বাবদ ১ হাজার ২২৯ কোটি ৫১ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে ২০১১ সাল পর্যন্ত রাজস্ব ফাঁকির পরিমাণ ৩ হাজার ৩৪ কোটি ১১ লাখ টাকা।
অপরদিকে এনবিআরের এলটিইউর (লং টার্ম ইভ্যালুয়েশন) দাবি অনুসারে সিম রিপ্লেসমেন্ট ট্যাক্স ও ভ্যাট বাবদ গ্রামীণফোনের কাছে পাওনার পরিমাণ ১ হাজার ৫৮০ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। সব মিলিয়ে অপারেটরটি সরকারের কাছে এখন দেনা ৪ হাজার কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে ভ্যাট (ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স) বাবদ বিটিআরসির পাওনা ১৪৭ কোটি টাকার কথা মনেই করতে পারছে না বৃহৎ এ ফোন কোম্পানি।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 118 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ