‘জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির প্রভাবে শারীরিক ও মানসিক অসুবিধা’

Print

'জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির প্রভাবে আমি যেন পাগল হয়ে যাচ্ছিলাম'

 সারা বিশ্বের অসংখ্য নারী জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ব্যবহার করেন। তাদের অনেকেই এ ওষুধের প্রভাবে প্রচণ্ড শারীরিক ও মানসিক অসুবিধার মধ্যে পড়েন। এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে ইন্ডিপেনডেন্ট।

জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ব্যবহারের ফলে যে শারীরিক অসুবিধার মধ্যে পড়েছিলেন তার বর্ণনা করেছেন এক নারী। তিনি বলেন, তার প্রচণ্ড অস্বস্তি হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল যেন পাগল হয়ে যাচ্ছেন।
সম্প্রতি পুরুষের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি ও ইঞ্জেকশন তৈরির জন্য গবেষণা চলছে। কিন্তু এ সামগ্রী এখনও বাজারে আসেনি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার কারণে। বহু নারী চাইছেন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলেও এ ওষুধটি যেন দ্রুত বাজারে ছাড়া হয়। এর কারণ হিসেবে তারা নিজেদের শারীরিক অসুবিধার কথা বলছেন। আর এক্ষেত্রে জন্মনিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব যেন শুধু নারী নয় পুরুষেরও দায়িত্বের অংশ হয় সেজন্য দাবি করছেন তারা।
বহু নারীই জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির পাশ্ব প্রতিক্রিয়া প্রত্যক্ষ করছেন। জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়িতে নারীদের বিষণ্ণতার আশঙ্কা তৈরি হয় বলে মনে করছেন গবেষকরা। সর্বশেষ এ গবেষণাটি করেছেন ডেনমার্কের গবেষকরা।
বিষণ্ণতা মূলত একধরনের মানসিক সমস্যা। এ সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার পেছনে বহু কারণ রয়েছে। আর সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভনিরোধক ওষুধও বিষণ্ণতার কারণ।
গর্ভনিরোধের জন্য জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি মূলত হরমোনের ওপর প্রভাব ফেলে। আর এ হরমোরনের তারতম্যের কারণেই বিষণ্ণতা সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন গবেষকরা।
সম্প্রতি এক গবেষণায় বিষণ্ণতার সঙ্গে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ির এ সম্পর্কের বিষয়টি জানা যায়। গবেষকরা জানান, প্রায় এক মিলিয়ন নারীর ওপর গবেষণায় এ বিষয়টি প্রকাশিত হয়েছে। মেডিক্যাল রিপোর্টের ভিত্তিতে এ গবেষণাটি করা হয়েছে। এতে অল্পবয়সী নারী থেকে শুরু করে বয়স্ক নারী পর্যন্ত বিভিন্ন বয়সের নারীদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
গবেষকরা জানান, যে নারীরা গর্ভধারণ রোধ করতে পিল সেবন করেন তাদের ২৩ শতাংশ ক্ষেত্রে বিষণ্ণতার জন্য ওষুধ দিতে হয় বলে দেখা গেছে মেডিক্যাল রিপোর্টে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন শুরুর প্রথম ছয় মাসে এ বিষণ্ণতার প্রভাব দেখা যায়। তবে এর পরেও নানা ধরনের শারীরিক অসুবিধা দেখা যাওয়ার রেকর্ড রয়েছে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 135 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ