তাঁদের পেশা এক, নেশা আরেক

Print
তাঁদের পেশা এক, নেশা আরেক। ব্যাপারটা এমন না যে নিজেদের পেশায় তাঁরা নাখোশ। তবে মনের আনন্দের জন্যই অনেক কাজ করেন তাঁরা। ক্রিসটেন স্টুয়ার্ট যেমন হঠাৎ হঠাৎ অদ্ভুত কবিতা লিখে বসেন। জনি ডেপ খেলেন পুতুল খেলা। স্নোবোর্ডিং করে বাস্তব জীবনের বন্ড গার্লের খ্যাতি পেয়েছেন ক্যামেরন ডায়াজ। সময় পেলেই মাছ ধরতে যান টাইগার উডস। রবীন্দ্রনাথ আঁকতেন ছবি। তারকাদের এমনই কিছু কর্মকাণ্ড থাকছে এই প্রতিবেদনে
.পুতুল খেলা জনি ডেপের পছন্দের কাজ

নিজের কাজটা ‘জলদস্যু’ জনি ডেপ যে খুব পছন্দ করেন তা তাঁর স্বতঃস্ফূর্ত অভিনয় দেখেই বোঝা যায়। এর বাইরে আর কী পছন্দ করেন? পুতুল খেলা। একগাদা বার্বি ডল আছে তাঁর সংগ্রহে। সে সংগ্রহটা নিয়মিত বাড়ছে। খবরটা ছড়িয়ে পড়লে জনি ডেপ বলেছিলেন পুতুলগুলোর মাধ্যমেই নাকি তিনি চরিত্রে ঢোকার চেষ্টা করেন। সে কথার সত্য-মিথ্যা যাচাইয়ের সুযোগ যেহেতু নেই, তাই বিশ্বাস না করে উপায়ও নেই।

.ক্যামেরন ডায়াজের কাছে স্নোবোর্ডিংয়ের ওপরে কিছু নেই
তুষার ঢাকা পাহাড় বেয়ে স্কেটিং বা স্নোবোর্ডিং করে নেমে আসার চেয়ে আর কোনো কিছুই বেশি আনন্দ দিতে পারে না মার্কিন অভিনেত্রী ক্যামেরন ডায়াজ। তাতে যদি হাতও ভেঙে যায় তবে যাক! ২০০৫ সালে স্নোবোর্ডিংয়ের সময় হাতের কবজি ভেঙে ফেলেন ক্যামেরন ডায়াজ। তাতেও দমে যাননি। রোদেলা সুন্দর কোনো দিনে বন্ধুদের সঙ্গে স্নোবোর্ডিং করার অনুভূতির সঙ্গে আর কিছুই মেলাতে চান না তিনি। ক্যামেরন একবার কন্টাক্ট মিউজিককে বলেছিলেন, ‘আমি গতি ও অ্যাড্রেনালিন ভালোবাসি। স্নোবোর্ডিং আমার জন্য কাজ থেকে পালাবার চমৎকার একটি পথ। মাটি না ছুঁয়েই পাহাড়ের ওপর থেকে নিচে নেমে আসা খুব উত্তেজনাকর।’

.কবি ক্রিসটেন স্টুয়ার্ট
ম্যারি ক্লেয়ার সাময়িকীর ২০১৪ সালের মার্চ সংখ্যার প্রচ্ছদ প্রতিবেদনের জন্য সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন মার্কিন অভিনেত্রী ক্রিস্টেন স্টুয়ার্ট। এরই কোনো এক ফাঁকে স্বরচিত কবিতা আবৃত্তি করে শোনান সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীকে। সে কবিতা ছাপার অনুমতিও দিয়েছেন তিনি। অদ্ভুত সেই কবিতার নিগূঢ় কথা কী, আদৌ আছে কি না, তা অবশ্য আজ পর্যন্ত জানার সুযোগ হয়নি। অভিনেত্রী হিসেবে তো বটেই, মাঝেমধ্যে অদ্ভুত মুখাবয়বের জন্যও আছে তাঁর খ্যাতি—সেটা সু হোক কিংবা কু। সেই সাক্ষাৎকারের পর থেকে তিনি হয়ে গেলেন কবি ক্রিসটেন স্টুয়ার্ট।

.সদলবলে মাছ ধরেন টাইগার উডস
চলতি বছরের শুরুটা টাইগার উডসের জন্য খুব একটা ভালো ছিল না। ইনজুরিতে পুরো মৌসুম হয়তো তাঁকে গলফ থেকে দূরেই থাকতে হবে। তবে ভক্তরা অন্তত জানতে পেরেছেন প্রিয় খেলোয়াড়ের পছন্দের কাজটা কী। চলচ্চিত্র পছন্দ করেন তিনি, আমরা জানি। ফুটবল পছন্দ করেন, তা-ও জানি। তাঁর রেস্তোরাঁর খবরও কারও অজানা নেই।
.তবে উডস যে মাছ ধরতে খুব ভালোবাসেন, তা সেবারই প্রথম জানা গেল। এমনকি দলবল নিয়েই মাছ ধরতে যান তিনি। রাইডার কাপের একজন সহকারী দলনেতা তিনি। দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে বোঝাপড়া পাকাপোক্ত করতে সদলবলে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন টাইগার উডস।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 92 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ