নাতি-নাতনী কোটা চালুর দাবি মুক্তিযোদ্ধাদের

Print

%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a4%e0%a6%a8%e0%a7%80-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%be-%e0%a6%9a%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%a6%e0%a6%be%e0%a6%acরাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকে ভর্তির ক্ষেত্রে নাতি-নাতনী কোটা চালুর দাবিতে মানববন্ধন করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে রাজশাহী মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ এ কর্মসূচির আয়োজন করেন। এতে বোয়ালিয়া, মতিহার থানা সংসদও পৃথক ব্যানারে যোগ দেয়।
মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ইউনিটের সহকারী কমান্ডার আবদুল বাসারের সঞ্চালনায় বক্তব্য দেন মহানগর কমান্ডার ডা. আব্দুল মান্নান, জেলা কমান্ডার ফরহাদ আলী মিয়া, মুক্তিযোদ্ধা রবিউল ইসলাম, অ্যাডভোকেট এন্তাজুল হক, অধ্যাপক রুহুল আমিন প্রমানিক প্রমুখ।
কর্মসূচিতে রাজশাহী জেলা কমান্ডার ফরহাদ আলী মিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘জরুরি ভিত্তিতে বসে আগামী সাত দিনের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিদের ভর্তির সুযোগ করে দেন। তা না হলে মুক্তিযোদ্ধারা কঠোর আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবে। তখন সব দায়-দায়িত্ব আপনাদের নিতে হবে।’
অন্য মুক্তিযোদ্ধারা বলেন, গেজেটের মাধ্যমে সরকারি-বেসরকারি, স্বায়ত্বশাসিত ও আধা স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠানে মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনী ভর্তির সুযোগ দেয়ার বিধান রয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে তা চালু হয়েছে। কিন্তু রাবি কর্তৃপক্ষ তা মানছেন না, তারা কোটা চালুও করেনি। দ্রুত তারা ভর্তিতে নাতি-নাতনী কোটা চালুর দাবি জানান।
জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৭ নভেম্বর রাজশাহী মহানগর ও জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড রাবি কর্তৃপক্ষকে নাতি-নাতনী কোটা চালুর দাবি জানিয়ে লিখিত আবেদন করেন। চলতি বছরের ১৩ অক্টোবর রাবির রেজিস্ট্রার বরারব ফের আবেদন জানায়। তবে কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নেয়নি।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 74 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ