নারায়ণঞ্জের বৈধ অস্ত্র জমা চায় ইসি

Print

%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%b0%e0%a6%be%e0%a7%9f%e0%a6%a3%e0%a6%9e%e0%a7%8d%e0%a6%9c%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%a7-%e0%a6%85%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%9cনারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনে ‘ভালো’ নির্বাচন করার জন্য কমিশনের পক্ষ থেকে সবধরনের ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ। তিনি জানিয়েছেন, নির্বাচনী এলাকায় বৈধ অস্ত্র জমা দেয়া, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিশ্চিতে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।
রবিবার দুপুরে ইসির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সচিব এসব তথ্য জানান।
অস্ত্র উদ্ধার ও বৈধ অস্ত্র জমা নেয়ার ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী যথাসময়ে এ বিষয়ে কার্যকরী উদ্যোগ নেবেন বলে জানান ইসি সচিব।
সচিব জানান, নির্বাচনের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সংস্থাগুলো শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গে আগামী ১৪ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন বৈঠক করবে। নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচন উপলক্ষে এলাকায় উৎসবমুখর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। সেখানে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন কোন বাহিনীকে ব্যবহার করা হবে তা ওইদিনই জানা যাবে।
সরকারি সুবিধাভোগী না হওয়ায় এ নির্বাচনে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার প্রচার চালাতে কোনো বাধা নেই বলে জানান সচিব।
সম্প্রতি গণভবনে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ও সংসদ সদস্যদের বৈঠক নিয়ে বিএনপির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সচিব বলেন, আমার মনে হয় না এতে আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে। এর ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে ঘরোয়া মিটিং করতেই পারে। এটা তো নির্বাচনী এলাকায় হয়নি। নির্বাচনী এলাকায় মন্ত্রী-এমপিরা এ ধরনের বৈঠক করতে পারবেন না, প্রচারণা চালাতে পারবেন না। তারা শুধু নিজের ভোট দিতে যেতে পারবেন।
২২ ডিসেম্বর দলীয়ভাবে নারায়ণগঞ্জে সিটি নির্বাচন হচ্ছে। এ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ আটটি দলের প্রার্থী মেয়র পদে অংশ নিচ্ছেন। সাধারণ ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে নির্দলীয়ভাবে ভোট হবে। ৫ ডিসেম্বর থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচার শুরু করতে পারবেন প্রার্থীরা।
এদিকে সংবাদ সম্মেলনে চলমান ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও স্মার্টকার্ড বিতরণের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন ইসি সচিব। জানান, বাদ পড়া ভোটারদের ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত উপজেলা নির্বাচনী অফিসে গিয়ে ভোটার হওয়া যাবে। এবার আগের মতো আর বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার করা হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন সচিব।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 47 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ