ফেসবুকে ‘প্রতিষ্ঠিত’ ভুয়া খবর এগুলো!

Print

%e0%a6%ab%e0%a7%87%e0%a6%b8%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%b7%e0%a7%8d%e0%a6%a0%e0%a6%bf%e0%a6%a4-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a7%9fগুজবের গতি বাতাসের থেকেও বেশি। তবে এগুলো এখন আর বাতাসে ঘোরে না। ঘুরে বেড়ায় আপনার আমার ফেসবুক পেজে। ফেসবুক খুললেই নিউজ ফিডে হাজারো টোটকা, চেনা-অচেনা দাওয়াইয়ের ভিড়। কখনও ত্বকের যত্নের চটজলদি টোটকা, তো কখনও কোনো স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নির্দেশিকা। আর এরই মাঝে রয়েছে কোনো বিভিন্ন ‘তথ্যপ্রমাণ’ দিয়ে সাজানো খবর। গোটা বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগে ফেসবুকের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জুকারবার্গ। এই সব খবর আসলে কতটা সত্যি? কতটাই বা ভুয়া। তা জানেন না অধিকাংশ ফেসবুক ইউজার। তা সত্ত্বেও মন দিয়ে পড়ে গুছিয়ে লাইক বাটনে ক্লিক করে দেন তারা। ফলে ওই খবরটি ফিরে ফিরে আসে ফেসবুক ফ্রেন্ডদের নিউজ ফিডে। এভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ‘বেঁচে’ থাকে ওই তথ্যগুলো। এক ঝলকে দেখে নেয়া যাক সেগুলো কি কি-

‘প্রেমিকার জন্য নিজের কান কেটে ফেলেছিলেন ভিনসেন্ট ভ্যান গঘ।’ দীর্ঘ দিন ধরেই এ কথাই বিশ্বাস করে এসেছিলেন তো! আসল কাহিনিটি কিন্তু অন্য, দুই জার্মান গবেষকের দাবি, সমসাময়িক ফরাসি চিত্রশিল্পী ও বন্ধু পল গগ্যাঁর সঙ্গে তুমুল ঝগড়ার সময় নিজের বাঁ-কানের লতি কেটে ফেলেন ভ্যান গঘ। রক্তাক্ত অবস্থায় তা কাপড়ে মুড়ে হেঁটে যান সামনেই এক যৌনপল্লীতে। সেখানে এক যৌনকর্মীকে তা উপহার দেন তিনি। কাটা কান দেখে অবশ্য সেখানেই মূর্চ্ছা যান ওই মহিলা।
‘মদ্যপানে মস্তিষ্কের কোষের মৃত্যু ঘটে।’ ফেসবুকে এই খবরটা অনেকেই দেখেছেন। আসলে, অতিরিক্ত মদ্যপানেও মস্তিষ্কের কোষের ক্ষতি হয় ঠিকই, তা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যায় না।

‘লবণ মেশানো ঠান্ডা জল খুব তাড়াতাড়ি ফুটতে থাকে।’ এটাও একেবারেই সত্যি নয়। উল্টে ঠান্ডা জলে লবণ মেশালে তা ফুটতে আরও বেশি সময় নেয়।
‘বার বার শেভ করলে দাড়ি ঘন হয়।’ এ তথ্যের কোনো সত্যতা নেই। আসলে শেভ করার কিছু দিন পর দাড়ি উঠলে তার আগাটি বেশ ভোঁতা থাকে। ফলে তা ঘন দেখায়।
‘মস্তিষ্কের মাত্র ১০ শতাংশই ব্যবহৃত হয়।’ এটিও সত্যি নয়। গবেষকদের দাবি, প্রতিটি কাজের পিছনে ব্রেনের কোনো না কোনো অংশ কাজে আসে। তা সেই কাজের উপরই নির্ভর করে। শেষমেশ সারা দিনে মস্তিষ্কের প্রায় প্রতিটি অংশই ব্যবহৃত হয়।

‘গোল্ডফিশ মাত্র ৩ সেকেন্ড কোনো কিছু মনে রাখতে পারে।’ তিন সেকেন্ড নয় বরং গোল্ডফিশ তিন মাস ধরে সব কিছু মনে রাখতে পারে।

‘লাল রং দেখলেই ক্ষেপে যায় ষাঁড়েরা।’ ষাঁড় আসলে বর্ণান্ধ। ফলে তার সামনে যতই লাল কাপড় নাড়ানো হোক না কেন তাতে কোনো তফাৎ হয় না। বুলফাইটিংয়ের মঞ্চে লাল কাপড় দেখে নয় তা নাড়ানো দেখেই ঘাবড়ে যায় ষাঁড়।

‘পেট ভরে খাবার খেয়ে সাঁতার কাটা উচিত নয়। তাতে মাংসপেশীতে চোট লাগতে পারে।’ মাংসপেশীতে নয়, ভরাপেটে সাঁতার কাটলে শ্বাস নিতে সমস্যা হতে পারে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 35 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
error: