বরিশাল বুলসের খেলোয়াড়রা ফিক্সিংয়ে জড়িত: গায়ক আসিফ

Print

%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%96%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%8b%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%b0%e0%a6%beকয়েকদিন ধরেই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) চলমান আসরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের গুঞ্জনটা জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে। যার প্রথম অভিযোগ রংপুর রাইডার্সের ম্যানেজার সানোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে। বিসিবির কাছে বিষয়টি যাওয়ার পরেই সাময়িকভাবে স্টেডিয়ামে নিষিদ্ধ করা হয় ক্রিকেটার জুপিটার ঘোষ ও রংপুরের ‍ ম্যানেজার সানোয়ার হোসেনকে।
সেই রেষ কাটতে না কাটতে এবার জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরও বিপিএলে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ তুললেন। তাও আবার নিজ দল বরিশাল বুলসের বিরুদ্ধে। যদিও ফিক্সিং নিয়ে আসিফের কাছে কোনো রকম প্রমাণ নেই। তবে তাঁর বিশ্বাস, বিসিবি এবং আইসিসির এন্টি করাপশন ইউনিট (আকসু) যদি এ ব্যাপারে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দেয় তাহলে অবশ্যই প্রমাণ খুঁজে পাবে।
নিজের ফেসবুকে পেজে বরিশাল বুলসের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর আসিফ লিখেছেন, ‘ক্রিকেট ক্রিকেট করে আমার এক জীবন গেলো। বরিশাল বুলস কর্তৃপক্ষের উৎসাহ এবং ভালোবাসায় প্রায় আট বছর পর মাঠে গিয়েছি, অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মত নয়। দর্শক, উত্তেজনা, মাঠের পরিবেশ সব মিলিয়ে অদ্ভুত মূর্ছনা। শুধু বিপথগামী ডিজেগুলোর হিন্দি গানের যন্ত্রণাটা একটু পীড়া দিয়েছে, মেরুদণ্ড না থাকলে যা হয় আর কি।
সব নির্মল অনুভূতিগুলোতে পানি ঢেলে দিয়েছে সন্দেহ। ১৭, ১৮, ১৯ এবং ২০ নম্বর ওভারগুলোতে ব্যাটসম্যানরা হয়ে যায় প্রতিবন্ধী আর বোলাররা হয়ে যায় বাঘ। টি-টুয়েন্টি ক্রিকেট জুয়ার অপর নাম। দর্শক হিসেবে মাঠে যাই খেলা দেখতে আর আমাদের নিয়ে খেলা হয় টেবিলে। সন্দেহ ঢুকেছে প্রেসবক্সেও।
অন্য কোন দলের কথা বলবো না। আমার দল বরিশাল বুলসের বিদেশি এবং দেশি খেলোয়াড়দের একটা অংশ ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত আমি নিশ্চিত, প্রমাণ নেই। তবে বিসিবি এবং আকসু যদি তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দেয় তাহলে অবশ্যই তারা প্রমাণ খুঁজে পাবেন, আমার বিশ্বাস। গরীব দল বুলস, ফ্র্যাঞ্চাইজি মালিকদের জন্য খারাপ লাগছে। তবে আমি কৃতজ্ঞ তাদের প্রতি। আত্মঘাতী গোলে হেরে যাওয়ার জন্য বরিশাল বুলসের জন্য সমবেদনা। ছিলাম আছি থাকবো ক্রিকেটের সঙ্গে। জয় হোক বাংলাদেশ ক্রিকেটের। অনেক হয়েছে, এবার একটু রেকর্ডিং এ মনোযোগ দেই।’
এর আগে বিপিএলের দ্বিতীয় আসরে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের দায়ে ক্রিকেট থেকে ৮ বছর নিষিদ্ধ হন আশরাফুল। এছাড়া ঢাকা গ্ল্যাডিয়েটর্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিহাব চৌধুরীকে ১০ বছর নিষিদ্ধ ও ২০ লাখ টাকা জরিমানা করে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) ফিক্সিং নিয়ে গঠিত বিশেষ ট্রাইব্যুনাল।
একই অভিযোগে ট্রাইব্যুনালে নির্দোষ প্রমাণিত হন ঢাকা গ্লাডিয়েটরসের মালিক সেলিম চৌধুরী, দলের বোলিং কোচ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক স্পিনার মোহাম্মদ রফিক, ক্রিকেটার মোশারফ হোসেন রুবেল, মাহবুবুল আলম ও ইংলিশ ক্রিকেটার ড্যারে স্টিভেন্স।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 90 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ