বানরকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, নিহত ১৬

Print

%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a6%b0%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%95%e0%a7%87%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%87-%e0%a6%97%e0%a7%8dলিবিয়ার দক্ষিণাঞ্চলের শহর সাবহাতে একটি পোষা বানরকে কেন্দ্র করে দুই আদিবাসী গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে ১৬ জন নিহত এবং ৫০ জন আহত হয়েছে। শহরটি চোরাচালান এবং মানবপাচারের প্রাণকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। খবর ডেইলি মেইলের।
রবিবার সাবহা মেডিকেল সেন্টারের এক মুখপাত্র জানান, ১৬ জন মারা গেছে। আহত হয়েছেন আরও ৫০ জন। আহতদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে।
স্থানীয় অধিবাসীরা জানায়, আউলাদ সুলেইমান এবং গাদ্দাফা গোষ্ঠীর মধ্যে একটি পোষা বানরকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি এই সংঘর্ষের সূত্রপাত। গাদ্দাফা গোষ্ঠীর এক দোকানদারের পোষা বানর একদল স্কুলছাত্রীর ওপর আক্রমণ করে। বানরটি একজন ছাত্রীর মাথার স্কার্ফ টেনে নিয়ে যায়। এতে আউলাদ সুলেইমান গোষ্ঠীর লোকজন প্রতিশোধ নেয়ার সুযোগ পেয়ে যায়। তারা গাদ্দাফি গোষ্ঠীর তিনজনকে হত্যা করে। পাশাপাশি ঐ বানরটিকেও হত্যা করে।
স্থানীয় এক অধিবাসী জানান, এ ঘটনার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দিনে দুই পক্ষ ট্যাংক, মর্টার এবং অন্যান্য ভারি অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে তীব্র হামলা চালায়। এখনো বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ চলছে। সংঘর্ষপূর্ণ এলাকাগুলোতে মানুষের জীবন স্থবির হয়ে পড়েছে।
পাঁচ বছর আগে মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ক্ষমতাচ্যুত করতে যে বিদ্রোহ শুরু হয়েছিল তা দেশটিকে বিভিন্ন গ্রুপে বিভক্ত করে ফেলে। তখন থেকেই সাবা শহরে কিছুদিন পর পর সংঘর্ষ চলে আসছে।
সাবা অঞ্চলটি অভিবাসী এবং অস্ত্র চোরাচালানের জন্য কুখ্যাত। গাদ্দাফা ও আউলাদ সুলেইমান গোষ্ঠী এই অঞ্চলের সবচেয়ে শক্তিশালী সশ্রস্ত্র সংগঠন। রাজধানী ত্রিপলি থেকে সাবহা শহরটির দূরত্ব ৬৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 63 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ