বিরোধী দলের উদ্দেশ্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ‘সাহস থাকলে জনগনকে নিয়ে রাস্তায় নামেন’

Print

ru-news-pic-18-11-2016আহমেদ ফরিদ, রাবি প্রতিনিধি: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, যদি সাহস থাকে জনগনকে সাথে নিয়ে রাস্তায় নামুন। জনগনকে সাথে নিয়ে ২০১৯ সালের অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহন করুন। টকশো বাদ দিন। নির্বাচনের মাঠে সমান লেভেল থাকবে।
শুক্রবার বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) জেলহত্যা দিবসের আলোচনা সভায় বিরোধী দলের উদ্দেশ্য করে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোহাম্মদ নাসিম একথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে এই আলোচনা সভার আয়োজন করে রাবি শিক্ষক সমিতি।
এসময় নাসিম বলেন, ‘৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে নিহত দেশের প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী রাবি শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহার মৃত্যুর দিনকে (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের আহ্বান জানাচ্ছি। এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদের সঙ্গে আলোচনা করে মন্ত্রীসভার আগামী বৈঠকে প্রস্তাব উত্থাপন করবেন বলেও জানান তিনি।
তিনি আরোও বলেন, রাবির তরুণ শিক্ষক ড. শামসুজ্জোহা ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানে নিজের রক্ত ঢেলে আন্দোলনকে বেগবান করেছিলেন। তার অবদান ও আত্মত্যাগের কথা ভুলে যাওয়ার নয়। ড. জোহার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তার মৃত্যুর দিনকে (১৮ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে পালনের জন্য আমি মন্ত্রীসভায় প্রস্তাব তুলব। এ ব্যাপারে শিক্ষামন্ত্রীও আমার সঙ্গে একমত হবেন বলে আশা রাখছি।
সভার বিশেষ অতিথি রাজশাহী সিটি র্কপোরেশনের সাবেক মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জমান বলেন, পাকিস্তানী শাসকরা দীর্ঘদিন শাসন করেছে, আবার মুক্তিযুদ্ধে পরাজিত হয়ে ৯৬ হাজার সৈন্যরা তাদের অস্ত্র সমপর্ণ করে দস্তখত করেছে। তারা এ পরাজয়কে মেনে নিতে পারিনি। এ কারণেই পাকিস্তানী ও এদেশের দোসর-দালালরা বারবার বাংলাদেশের উপর আক্রমণ করেছে। বঙ্গবন্ধুসহ জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে এ দেশীয় দোসররা। তাই হাইব্রিড নেতা থেকে মুক্ত হয়ে জাতীয় চার নেতার আদর্শে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার হতে হবে।
শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক শাহ্ আজম শান্তনু বলেন, আমরা জাতীয় চার নেতার অবদান ভুলতে পারবো না। কিন্ত প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী জোহার আত্মত্যাগের কথা কোনভাবেই ভুলা যাবে না। তাই তাঁর সম্মানে ১৮ ফেব্রুয়ারীকে জাতীয় শিক্ষক দিবস করা হোক। এ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে মন্ত্রী আশ্বাস দিয়ে বলেন, শহীদ বুদ্ধিজীবী শামসুজ্জোহার মৃত্যু দিবসকে যাতে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পাই আমি মন্ত্রীসভায় কথা বলবো। আর শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করবো জোহার মৃত্যু দিবসটিকে জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে গৃহীত করার জন্য। আশা করি তিনি আমাকে সমর্থন করবেন।
শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও রাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল ইসলাম ঠান্ডু।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 63 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ