মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন ঈশানা

Print

%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%ae%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%a5%e0%a7%87%e0%a6%95%e0%a7%87-%e0%a6%85%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%a4%e0%a6%bf-%e0%a6%aa%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a7%87প্রযোজক মারুফ খান প্রেমের দায়ের করা মানহানির মামলা থেকে অব্যাহতি পেয়েছেন লাক্স তারকা মডেল ও অভিনেত্রী মৌনিতা খান ঈশানা।
ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হান উল ইসলাম মঙ্গলবার তাকে অব্যাহতির আদেশ দেন।
একই ঘটনায় দুটি মামলা হওয়ায় এবং মানহানির কোনো উপাদান না থাকায় এই অব্যাহতির আদেশ দেওয়া হয়। শুনানিকালে বাদী মারুফ খান প্রেম ও ঈশানা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
ঈশানার আইনজীবী এমদাদুল হক লাল জানান, এর আগে একই ঘটনায় একই বাদীর দায়ের করা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় গত ২৫ জুলাই সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনাল ঈশানাকে অব্যাহতি দেন।
গত ৩ ফেব্রুয়ারি ঈশানার বিরুদ্ধে ঢাকা সিএমএম আদালতে মামলাটি দায়ের করেন মারুফ খান প্রেম। ওইদিন আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে ঈশানাকে ২২ মার্চ আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করেন। সেদিন ঈশানা আদালতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত । এরপর ৫ এপ্রিল আত্মসমর্পণ করে জামিন নেন ঈশানা।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, ঈশানা গত ৭ জানুয়ারি উত্তরার নীলাঞ্জনা শুটিং স্পটে মেগা ধারাবাহিক ‘সহযাত্রী’ নাটকের শুটিং করছিলেন। একপর্যায়ে মেকআপ রুমে কয়েকজনের সামনে প্রেমকে নিয়ে বিভিন্ন আজেবাজে কথাবার্তা বলেন ঈশানা; যা ওখানে উপস্থিত এক সহশিল্পী তার মুঠোফোনে রেকর্ড করেন। রেকর্ডকৃত আলাপচারিতা শোনার পর মারুফ খান শুটিং স্পটে উত্তরা পশ্চিম থানা থেকে পুলিশ নিয়ে হাজির হন। এরপর পুলিশের এক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে প্রাথমিকভাবে বিষয়টির সুরাহা হয়। কিন্তু ঈশানা পরে শুটিংয়ের শিডিউল ফাঁসানো ও বাদীর অনুপস্থিতিতে শুটিং সেটে তাকে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা এবং ফেসবুকে এ বিষয়ে মানহানিকর স্ট্যাটাস দেওয়ায় মামলাটি দায়ের করেন বাদী।
উল্লেখ্য, ২০০৮ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রথম রানার আপ হয়েছিলেন মৌনিতা খান ঈশানা।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 48 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ