যারা স্বপ্নের ইউরোপে যেতে চান তাদের জন্য

Print
যারা স্বপ্নের ইউরোপে আসতে চান

ইউরোপ আমারিকা স্বপ্নের দেশ। অনেকেই স্বপ্ন দেখে এই সব দেশে আসার। কিন্তু চাইলেই তো আর আসা যায় না।এতো আর নানা বাড়ি দাদা বাড়ি না যে বল্লাম আর চলে গেলাম।

আমেরিকা, কানাডায় একটা সুযোগ বেশী আছে ফ্যামেলীর একজন কোনভাবে সেটেল হতে পারলে আস্তে আস্তে পুরা ফ্যামেলীকে টান দেয়া যায় ইউরোপে এরকম কোন সুযোগ নেই এখানে একমাত্র স্বামী ,স্ত্রীকে ,স্ত্রী ,স্বামীকে আনতে পারে ।তবে মা,বাবা,ভাই,বোনকে স্পসর করতে পারে টরিষ্ট ভিসার জন্য ।তবে এটাও ৬০ এর উপরে বয়স হলে সহজ হয় কারন অল্প বয়স্কদের ভিসা দিতে চায় না এবং তাকে অবশ্যই ফিরত যেতে হবে না হলে সে আর কখনো কাউকে স্পসর করতে পারবে না ।

আমেরিকা ,কানাডার ব্যপারে আমি কিছু বলতে পারব না ইউরোপ মানে ও শুধু স্কান্ডিনিভিয়ার দেশ গুলোতে কি ভাবে আসা যায় বা কি ভাবে এখানে স্থায়ী বসবাসের অনুমুতি নেয়া যায় আমি যতটুকু জানি সেটুকু শেয়ার করব ।

এ ব্যাপারে বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হয় গত কয়েক বছর ধরে ডানমার্ক গ্রীন কার্ড সিষ্টেম চালু করেছে ।যদিও এটা খুব সহজ নয় বাংলাদেশ থেকে আসা তবে অনেক বাংলাদেশী ছেলে মেয়ে এই সুবিধ পেয়েছেন বা নিয়েছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে সুইডেনে পড়তে আসা ছেলে মেয়েরা ।আমার জানা মতে এ পর্যন্ত সরাসরি বাংলাদেশ থেকে ২টা ছেলে এসেছে তাদের বাংলাদেশে পি এইচ ডি ছিল । এই লিংকে গিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন ।

স্টুডেন্ট ভিসা : ২০১০ পর্যন্ত সুইডেনে এটা খুবই সহজ ছিল কোন সেশন ফী লাগত না ২০১১ থেকে অনেক টাকা যেমন লাগে তেমনি এখানে স্থায়ী ভাবে থাকার অনুমতি নেই । এখনো কিছু সাবজেক্ট ফ্রী আছে.আর বর্তমানে সুইডেনে যারা পি এইচ ডি পাবে পি এইচ ডি শেষে তাদের এখানে স্থায়ী ভাবে থাকার অনুমতি দেয়া হচ্ছে ।অথবা কোথাও যদি আপনি দুই বছরের কাজের কন্ট্রাক দুই, দুই চার বছর দেখাতে পারেন তখন দেয়া হয় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি ।

ইউরোপ আমারিকা স্বপ্নের দেশ । অনেকেই স্বপ্ন দেখে এই সব দেশে আসার । কিন্তু চাইলেই তো আর আসা যায় না।এতো আর নানা বাড়ি দাদা বাড়ি না যে বল্লাম আর চলে গেলাম ।

আমেরিকা, কানাডায় একটা সুযোগ বেশী আছে ফ্যামেলীর একজন কোনভাবে সেটেল হতে পারলে আস্তে আস্তে পুরা ফ্যামেলীকে টান দেয়া যায় ইউরোপে এরকম কোন সুযোগ নেই এখানে একমাত্র স্বামী ,স্ত্রীকে ,স্ত্রী ,স্বামীকে আনতে পারে ।তবে মা,বাবা,ভাই,বোনকে স্পসর করতে পারে টরিষ্ট ভিসার জন্য ।তবে এটাও ৬০ এর উপরে বয়স হলে সহজ হয় কারন অল্প বয়স্কদের ভিসা দিতে চায় না এবং তাকে অবশ্যই ফিরত যেতে হবে না হলে সে আর কখনো কাউকে স্পসর করতে পারবে না ।

আমেরিকা ,কানাডার ব্যপারে আমি কিছু বলতে পারব না ইউরোপ মানে ও শুধু স্কান্ডিনিভিয়ার দেশ গুলোতে কি ভাবে আসা যায় বা কি ভাবে এখানে স্থায়ী বসবাসের অনুমুতি নেয়া যায় আমি যতটুকু জানি সেটুকু শেয়ার করব ।

এ ব্যাপারে বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হয় গত কয়েক বছর ধরে ডানমার্ক গ্রীন কার্ড সিষ্টেম চালু করেছে ।যদিও এটা খুব সহজ নয় বাংলাদেশ থেকে আসা তবে অনেক বাংলাদেশী ছেলে মেয়ে এই সুবিধ পেয়েছেন বা নিয়েছেন ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিশেষ করে সুইডেনে পড়তে আসা ছেলে মেয়েরা ।আমার জানা মতে এ পর্যন্ত সরাসরি বাংলাদেশ থেকে ২টা ছেলে এসেছে তাদের বাংলাদেশে পি এইচ ডি ছিল । এই লিংকে গিয়ে বিস্তারিত জানতে পারবেন ।

স্টুডেন্ট ভিসা : ২০১০ পর্যন্ত সুইডেনে এটা খুবই সহজ ছিল কোন সেশন ফী লাগত না ২০১১ থেকে অনেক টাকা যেমন লাগে তেমনি এখানে স্থায়ী ভাবে থাকার অনুমতি নেই । এখনো কিছু সাবজেক্ট ফ্রী আছে.আর বর্তমানে সুইডেনে যারা পি এইচ ডি পাবে পি এইচ ডি শেষে তাদের এখানে স্থায়ী ভাবে থাকার অনুমতি দেয়া হচ্ছে ।অথবা কোথাও যদি আপনি দুই বছরের কাজের কন্ট্রাক দুই, দুই চার বছর দেখাতে পারেন তখন দেয়া হয় স্থায়ী বসবাসের অনুমতি ।

ওয়ার্ক ভিসা : এটা দেশ থেকে বা এখানে কোন ভাবে এসে এদেশের কোন কোম্পানীতে বা কোন আত্বীয় স্বজনের রেষ্টুডেন্ট বা দোকানে যদি দুই বছরের কন্ট্রক করতে পারেন তাহলে পর পর দুই বার মানে চার বছর পর স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া যাবে ।( এটা এখন ১২-১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ও করছে বাংলাদেশী রেষ্টুডেন্ট মালিকরা )

এসাইলাম ভিসা :এটা যে কোন ভিসায় এসে আপনি এসাইলাম মানে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে পারেন । টুরিষ্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা, বা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বা যে কোন ভাবে এসে যদি সমস্যা দেখা দেয় তখন শুধু পাসপোর্ট গায়েব করে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে পারেন ।শুধু দেশে রাজনৈতিক সমস্যা বলে একটা কাহীনি বানাতে হবে ।এর পর আপনার কেচ চলা পর্যন্ত আপনার থাকা খাওয়ার দায়িত্ব এদের ।তবে এই কেচ কতদিন চলবে তার নিশ্চয়তা নেই ।হতে পারে এটা ৬ মাস —-২০ বছর অনিশ্চয়তার জীবন ।অনুমতি পেলেন তো ভাল না হলে তারাই আপনাকে প্লেনে উঠিয়ে দিবে ।ষ্কান্ডিনিভিয়ার দেশ গুলোর মাঝে সুইডেন এ এটা বেশী হয় ।যদি ও দিনে দিনে কঠিন হয়ে যাচ্ছে ।

বাংলাদেশের একমাত্র তসলিমা নাসরিন ছাড়া কেউ ই রাজনিতিক আশ্রয় পায়নি ( যদিও সেটা পড়ে আবার বাতিল করেছে সুইডেন সরকার)সবাই রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলে ও পেয়েছে মানবিক অধিকারে আশ্রয় ।( এটা আমি বলে বুঝাতে পারব না এর ভিতরের রহস্য এখানে আসলে সবাই বুঝে যায় কি করতে হয় বা হবে )

ম্যারেজ ভিসা : এটা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হোক সেটা আসল বিয়ে বা কাগজের বিয়ে । বর্তমানে কাগজের বিয়ের জন্য লাগে ১৫ লক্ষ+ টাকা ।এর পর স্থায়ী না হওয়া পর্যন্ত শান্তি নাই কারন এখানে প্রথমে দুই বছরের ভিসা দেওয়া হয় দুই বছর পর স্বামী স্ত্রী দুজনের আলাদা আলদা ইন্টার ভিও হবে দুইজনের কথার একটু গর – মিল হলেই ভিসা ক্যানসিল । যদিও কয়েক বার আপিল করার সুযোগ থাকে ।আর ইন্টার ভিও সঠিক হলে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাবেন ।যদি হয় আসল বিয়ে তাহলে তো কোন সমস্যাই নেই আর যদি হয় কাগজের বিয়ে তাহলে আপনি এবার দায় মুক্ত ।

আর ও একটা সিষ্টেম আছে যেই সিষ্টেমে আমি আমার মামনি পরবাসি হয়েছে এটা হয়ত কারো কাজে লাগতেও পারে তাই শেয়ার করলাম ।

আমার ভাইয়া এখানে এসে এসাইলাম করেই স্থায়ী ভাবে থাকার অনুমতি পাওয়ার পর আমার ভাইয়া এখন বিয়ে করে তার স্ত্রীকে আনতে পারবে এটা তার অধিকার । মাকে আনতে পারবে স্পসর দিয়ে তাতে মামনি ১মাস থেকে ১ বছর এখানে থাকতে পারবে চলে গেলে আবার আসতে পারবে কিন্তু স্থায়ী ভাবে বসবাসের সুযোগ কখনো পাবে না আর এখানকার স্থায়ী হিসাবে কোন সুযোগ সবিধাও পাবে না যেমন চিকিৎসা । আর আমাকে তো ভিসাই দিবে না । (কিন্তু আমার কারনে ঘটে যাওয়া একটা দূঘটনা আমার জীবনকে করে তুলেছিল দূর্বি সহ)তাই আমার জীবনের কথা ভেবেই আমার ভাইয়ার একান্ত ইচ্ছা আমাকে আর মামনিকে স্থায়ী ভাবে এখানে আনার । কিন্তু কি ভাবে উপরের কোনটায় মামনির পক্ষে করা সম্বব নয় ।

এটা নিয়ে ভাইয়া খুব চিন্তা করতেন কি ভাবে কি করা যায় । এক ডেনিস পরিবার ভাইয়াকে খুব ভালবাসে ভাইয়া একদিন তাদের আমাদের সমস্যার কথা খুলে বলেন ।তারা ভাইয়াকে নিয়ে যায় রেডক্রসে ।ভাইয়া তখন রেডক্রসে আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া সমস্ত কাহীনি খুলে বলেন । ভাইয়া ছাড়া আমরা অভিভাবক হীন অবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় আছি এটা উনাদের বুঝান ।

ভাইয়ার সমস্ত কথা শুনে রেডক্রস জানায় ঠিক আছে আমরা দেখছি ।

এর পর রেডক্রস বাংলাদেশে আমাদের সমস্ত খবরা খবর সংগ্রহ করে আমাদের অগোচরে ।এর পর আমাদের সত্যি কার অবস্থা দেখার জন্য আমাদের বাসায় আসে আমাদের সাথে কথাও বলে যখন ভাইয়ার কথার সাথে সব কিছু মিল পায়। ।(এই সব দেশে বাচ্চাদেরকে খুবই মূল্যায়ন করা হয়,আমি ও ছিলাম একটা বাচ্চা রেডক্রস আমার জীবনটা ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এখনকার এমিগ্রেসনের কাছে আবেদন জানায় আমাদের এখানে স্থায়ী ভাবে বসবাসের অনুমুতি প্রদানের জন্য ।

তখন এমিগ্রেশন ও আবার সব খোজ খবর নেয় যখন এমিগ্রেশন রিপোর্ট ও রেডক্রসের রিপোর্ট একই রকম হয় তখন এখন কার এমিগ্রেশন আমাদের এখানকার স্থায়ী ভিসা প্রদান করে ।এমন কি আমাদের বিমান ভারা টাও রেডক্রস দিয়েছে ।

এই সিষ্টেম বাংলাদেশ থেকে খুব একটা কাজে লাগানো যাবে বলে মনে হয় না তবে যারা ইউরোপে আছে তাদের আত্বীয়- স্বজনদের মাঝে যদি নির্যাতীত -নিপিরিত কেউ থাকে চেষ্টা করে দেখতে পারেন ।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতীর জন্য মনে করি যে ভাবে পারেন চলে আসেন ইউরোপ আমেরিকায় । আপনার জীবনে হয়ত ভাল কিছু পাবেন না কিন্তু আপনার ভবিষ্যত প্রজন্ম হয়ত পেতে পারে —-।

তবে দেশে ছেড়ে যেখানেই যান প্রাথমিক কষ্ট করতেই হবে । এক তো দেশ ও পরিবার পরিজন ছেড়ে এসেছেন দুই নতুন জায়গা নতুন ভাষা নতুন পরিবেশে নিজেকে দাড় করানো কতটা কঠিন সেটা একমাত্র ভুক্ত ভুগিরাই বুঝবে । কষ্টের শেষ সীমা আপনাকে অতিক্রম করতে হবে ধৈর্য আর সাহসের সাথে । তবেই আপনি পেতে পারেন একটা নিরাপদ জীবন তবে ক্ষণিকের, কারন ইউরোপ আমেরিকার স্বর্গে বাস করলে ও মৃত্যু আপনার পিছু ছাড়বে না ।

ওয়ার্ক ভিসা : এটা দেশ থেকে বা এখানে কোন ভাবে এসে এদেশের কোন কোম্পানীতে বা কোন আত্বীয় স্বজনের রেষ্টুডেন্ট বা দোকানে যদি দুই বছরের কন্ট্রক করতে পারেন তাহলে পর পর দুই বার মানে চার বছর পর স্থায়ী বসবাসের অনুমতি পাওয়া যাবে ।( এটা এখন ১২-১৫ লক্ষ টাকার বিনিময়ে ও করছে বাংলাদেশী রেষ্টুডেন্ট মালিকরা )

এসাইলাম ভিসা :এটা যে কোন ভিসায় এসে আপনি এসাইলাম মানে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে পারেন । টুরিষ্ট ভিসা, স্টুডেন্ট ভিসা, বা ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বা যে কোন ভাবে এসে যদি সমস্যা দেখা দেয় তখন শুধু পাসপোর্ট গায়েব করে রাজনৈতিক আশ্রয় চাইতে পারেন ।শুধু দেশে রাজনৈতিক সমস্যা বলে একটা কাহীনি বানাতে হবে ।এর পর আপনার কেচ চলা পর্যন্ত আপনার থাকা খাওয়ার দায়িত্ব এদের ।তবে এই কেচ কতদিন চলবে তার নিশ্চয়তা নেই ।হতে পারে এটা ৬ মাস —-২০ বছর অনিশ্চয়তার জীবন ।অনুমতি পেলেন তো ভাল না হলে তারাই আপনাকে প্লেনে উঠিয়ে দিবে ।ষ্কান্ডিনিভিয়ার দেশ গুলোর মাঝে সুইডেন এ এটা বেশী হয় ।যদি ও দিনে দিনে কঠিন হয়ে যাচ্ছে ।

বাংলাদেশের একমাত্র তসলিমা নাসরিন ছাড়া কেউ ই রাজনিতিক আশ্রয় পায়নি ( যদিও সেটা পড়ে আবার বাতিল করেছে সুইডেন সরকার)সবাই রাজনৈতিক আশ্রয় চাইলে ও পেয়েছে মানবিক অধিকারে আশ্রয় ।( এটা আমি বলে বুঝাতে পারব না এর ভিতরের রহস্য এখানে আসলে সবাই বুঝে যায় কি করতে হয় বা হবে )

ম্যারেজ ভিসা : এটা সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হোক সেটা আসল বিয়ে বা কাগজের বিয়ে । বর্তমানে কাগজের বিয়ের জন্য লাগে ১৫ লক্ষ+ টাকা ।এর পর স্থায়ী না হওয়া পর্যন্ত শান্তি নাই কারন এখানে প্রথমে দুই বছরের ভিসা দেওয়া হয় দুই বছর পর স্বামী স্ত্রী দুজনের আলাদা আলদা ইন্টার ভিও হবে দুইজনের কথার একটু গর – মিল হলেই ভিসা ক্যানসিল । যদিও কয়েক বার আপিল করার সুযোগ থাকে ।আর ইন্টার ভিও সঠিক হলে স্থায়ী বসবাসের সুযোগ পাবেন ।যদি হয় আসল বিয়ে তাহলে তো কোন সমস্যাই নেই আর যদি হয় কাগজের বিয়ে তাহলে আপনি এবার দায় মুক্ত ।

আর ও একটা সিষ্টেম আছে যেই সিষ্টেমে আমি আমার মামনি পরবাসি হয়েছে এটা হয়ত কারো কাজে লাগতেও পারে তাই শেয়ার করলাম ।

আমার ভাইয়া এখানে এসে এসাইলাম করেই স্থায়ী ভাবে থাকার অনুমতি পাওয়ার পর আমার ভাইয়া এখন বিয়ে করে তার স্ত্রীকে আনতে পারবে এটা তার অধিকার । মাকে আনতে পারবে স্পসর দিয়ে তাতে মামনি ১মাস থেকে ১ বছর এখানে থাকতে পারবে চলে গেলে আবার আসতে পারবে কিন্তু স্থায়ী ভাবে বসবাসের সুযোগ কখনো পাবে না আর এখানকার স্থায়ী হিসাবে কোন সুযোগ সবিধাও পাবে না যেমন চিকিৎসা । আর আমাকে তো ভিসাই দিবে না । (কিন্তু আমার কারনে ঘটে যাওয়া একটা দূঘটনা আমার জীবনকে করে তুলেছিল দূর্বি সহ)তাই আমার জীবনের কথা ভেবেই আমার ভাইয়ার একান্ত ইচ্ছা আমাকে আর মামনিকে স্থায়ী ভাবে এখানে আনার । কিন্তু কি ভাবে উপরের কোনটায় মামনির পক্ষে করা সম্বব নয় ।

এটা নিয়ে ভাইয়া খুব চিন্তা করতেন কি ভাবে কি করা যায় । এক ডেনিস পরিবার ভাইয়াকে খুব ভালবাসে ভাইয়া একদিন তাদের আমাদের সমস্যার কথা খুলে বলেন ।তারা ভাইয়াকে নিয়ে যায় রেডক্রসে ।ভাইয়া তখন রেডক্রসে আমাদের জীবনে ঘটে যাওয়া সমস্ত কাহীনি খুলে বলেন । ভাইয়া ছাড়া আমরা অভিভাবক হীন অবস্থায় নিরাপত্তাহীনতায় আছি এটা উনাদের বুঝান ।

ভাইয়ার সমস্ত কথা শুনে রেডক্রস জানায় ঠিক আছে আমরা দেখছি ।

এর পর রেডক্রস বাংলাদেশে আমাদের সমস্ত খবরা খবর সংগ্রহ করে আমাদের অগোচরে ।এর পর আমাদের সত্যি কার অবস্থা দেখার জন্য আমাদের বাসায় আসে আমাদের সাথে কথাও বলে যখন ভাইয়ার কথার সাথে সব কিছু মিল পায়। ।(এই সব দেশে বাচ্চাদেরকে খুবই মূল্যায়ন করা হয়,আমি ও ছিলাম একটা বাচ্চা রেডক্রস আমার জীবনটা ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করার জন্য এখনকার এমিগ্রেসনের কাছে আবেদন জানায় আমাদের এখানে স্থায়ী ভাবে বসবাসের অনুমুতি প্রদানের জন্য ।

তখন এমিগ্রেশন ও আবার সব খোজ খবর নেয় যখন এমিগ্রেশন রিপোর্ট ও রেডক্রসের রিপোর্ট একই রকম হয় তখন এখন কার এমিগ্রেশন আমাদের এখানকার স্থায়ী ভিসা প্রদান করে ।এমন কি আমাদের বিমান ভারা টাও রেডক্রস দিয়েছে ।

এই সিষ্টেম বাংলাদেশ থেকে খুব একটা কাজে লাগানো যাবে বলে মনে হয় না তবে যারা ইউরোপে আছে তাদের আত্বীয়- স্বজনদের মাঝে যদি নির্যাতীত -নিপিরিত কেউ থাকে চেষ্টা করে দেখতে পারেন ।

দেশের বর্তমান পরিস্থিতীর জন্য মনে করি যে ভাবে পারেন চলে আসেন ইউরোপ আমেরিকায় । আপনার জীবনে হয়ত ভাল কিছু পাবেন না কিন্তু আপনার ভবিষ্যত প্রজন্ম হয়ত পেতে পারে।

তবে দেশে ছেড়ে যেখানেই যান প্রাথমিক কষ্ট করতেই হবে । এক তো দেশ ও পরিবার পরিজন ছেড়ে এসেছেন দুই নতুন জায়গা নতুন ভাষা নতুন পরিবেশে নিজেকে দাড় করানো কতটা কঠিন সেটা একমাত্র ভুক্ত ভুগিরাই বুঝবে । কষ্টের শেষ সীমা আপনাকে অতিক্রম করতে হবে ধৈর্য আর সাহসের সাথে । তবেই আপনি পেতে পারেন একটা নিরাপদ জীবন তবে ক্ষণিকের, কারন ইউরোপ আমেরিকার স্বর্গে বাস করলে ও মৃত্যু আপনার পিছু ছাড়বে না ।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 113 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ