‘যোগ‌্য’ ভিসির সংকটে বেসরকারি উচ্চ শিক্ষা

Print

%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%97%e2%80%8c%e0%a7%8d%e0%a6%af-%e0%a6%ad%e0%a6%bf%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%b8%e0%a6%82%e0%a6%95%e0%a6%9f%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a7%87%e0%a6%b8শিক্ষার্থী ভর্তির দিক দিয়ে পাবলিক বিশ্ববিদ‌্যালয়গুলোকে পেছনে ফেললেও ‘যোগ‌্য’ লোকের অভাবে কাণ্ডারিবিহীন দেশের এক তৃতীয়াংশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
এর মধ‌্যে ৩৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নেই; ৭২টিতে উপ-উপাচার্য এবং ৫০টিতে নেই কোষাধ্যক্ষ। প্রশাসনের শীর্ষ তিন পদই ফাঁকা রেখে সনদ দিয়ে যাচ্ছে- এমন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ‌্যা ২৮টি।
সরকার দেশে বেসরকারি বিশ্ববিদ‌্যালয় খোলার প্রথম অনুমতি দিয়েছিল দুই যুগ আগে। ইউজিসির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে ৯৫টি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকারি অনুমোদন থাকলেও ৮৬টিতে শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। সাতটিতে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়নি। একটির অনুমোদিত ঠিকানা নেই, আরেকটিতে রয়েছে ট্রাস্টি বোর্ড নিয়ে সমস‌্যা।
কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের কাজ চালাচ্ছেন উপ-উপাচার্য। যাদের উপ-উপাচার্য নেই, তাদের প্রশাসন দেখছেন কোষাধ্যক্ষ। তিনটি পদই ফাঁকা রয়েছে যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে, তার মধ‌্যে ১৮টির সনদ সম্প্রতি অবৈধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি বলছে, উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদের জন‌্য সরকার নির্ধারিত যোগ্যতা অনুযায়ী লোক না পাওয়ায় এই সংকট তৈরি হয়েছে।
এসব পদে নিয়োগ প্রক্রিয়া সহজ করতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন হালনাগাদের দাবি জানিয়েছেন সমিতির সভাপতি শেখ কবীর হোসেন।
অন‌্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন ‘মূল্যায়নে’ একটি কমিটি কাজ করছে জানিয়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগে জোর দিতে বলেছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সম্প্রতি ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অবৈধ ঘোষণা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন সম্প্রতি ১৮টি বিশ্ববিদ্যালয়ের সনদ অবৈধ ঘোষণা করেছে উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ নেই
ইন্টারন্যাশনাল ইসলামী ইউনিভার্সিটি চিটাগাং, এশিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, গণ বিশ্ববিদ্যালয়, দি পিপলস ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, মানারাত ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, সিলেট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটি, পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইউনিভার্সিটি অব সাউথ এশিয়া, ইউনিভার্সিটি অব ইনফরমেশন টেকনোলজি অ্যান্ড সায়েন্স, রয়েল ইউনিভার্সিটি অব ঢাকা, ইস্ট ডেল্টা ইউনিভার্সিটি, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি, ঈশাখাঁ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, জেড এইচ সিকদার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, চিটাগাং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ইউনিভার্সিটি, কক্সবাজার ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, রণদা প্রসাদ সাহা বিশ্ববিদ্যালয়, জার্মান ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, সিসিএন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি, বাংলাদেশ আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, দি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব স্কলার্স, কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, এন পি আই ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ।
এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শুধু পুন্ড্র ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং চিটাগাং ইন্ডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে উপাচার্য নিয়োগের প্যানেল প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রক্রিয়াধীন বলে ইউজিসি জানিয়েছে।
উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য নেই যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে
ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অলটারনেটিভ, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ভিক্টোরিয়া ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, প্রাইমএশিয়া ইউনিভার্সিটি, আশা ইউনিভার্সিটি, হামদার্দ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ, নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটি, নটরডেম বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ।
উপাচার্য নেই
নর্দান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ এবং অতীশ দীপঙ্কর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যাল।
উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ নেই
ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বিজনেজ এগ্রিকালচার অ্যান্ড টেকনোলজি, স্ট‌্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চিটাগাং, সাউদার্ন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, গ্রিন ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, দি মিলেনিয়াম ইউনিভার্সিটি, প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইসলামী ইউনিভার্সিটি, ইউরোপিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ফার্স্ট ক্যাপিটাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, ব্রিটানিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, পোর্টসিটি ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, টাইমস ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ইউনিভার্সিটি, নর্দার্ন ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যান্ড টেকনোলজি।
উপ-উপাচার্য নেই
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি, ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি চিটাগাং, আহছানউল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি, ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটি, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি, বিজিসি ট্রাস্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ, সিটি ইউনিভার্সিটি, প্রাইম ইউনিভার্সিটি, শান্ত মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব বিজনেস অ্যন্ড টেকনোলজি, উত্তরা ইউনিভার্সিটি, সেন্ট্রাল উইমেনস ইউনিভার্সিটি, নর্থ ইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, খাজা ইউনুস আলী বিশ্ববিদ্যালয়, ফেনী ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব হেলথ সায়েন্সেস,
কোষাধ্যক্ষ নেই
দি ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিক, ব্র্যাক ইউনিভার্সিটি, লিডিং ইউনিভার্সিটি, সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটি, বরেন্দ্র ইউনিভার্সিটি, নর্থ বেঙ্গল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি।
তথ্যসূত্র: ইউজিসি
অনেকে দুই-তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পার্ট টাইম শিক্ষকতা করেন, ভিসি হতে আগ্রহী হন না। অনেকে দুই-তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পার্ট টাইম শিক্ষকতা করেন, ভিসি হতে আগ্রহী হন না। বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির সভাপতি শেখ কবীর হোসেন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, শীর্ষ পদগুলোতে লোক নিয়োগ দিতে সমিতির পক্ষ থেকে বলা হলেও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উপযুক্ত লোক খুঁজে পায় না।
“একটি পদের জন্য তিনজন উপযুক্ত লোক পাওয়া মুশকিল, এটা দেখবে হবে। যেখানে ভিসি নেই, প্রো-ভিসিই ভিসির কাজ করছেন।”
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডকে উপাচার্য পদে নিয়োগের জন্য তিনজনের প্যানেল করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠাতে হয়। এই তিনজনের মধ্য থেকে রাষ্ট্রপতি একজনকে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেন।
উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষ পদে একই প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব পাঠাতে হয়।
শীর্ষ তিন পদে লোক নিয়োগের পদ্ধতি সহজ করার দাবি জানিয়ে কবীর হোসেন বলেন, “আইনটিকে শিথিল করে কীভাবে প্রোপার লোক নিয়োগ দেওয়া যায় সে বিষয়ে চিন্তা করতে হবে। কারণ প্রোপার তিনজনের নাম দেওয়াটা খুবই কঠিন কাজ।”
তিন জনের নাম দিতে হবে, তিনজনকেই যোগ‌্য হতে হবে- এই নিয়ম কতোটা যুক্তিযুক্ত- সেই প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।
“আমার মনে হয় ইউজিসির উচিত সিস্টেমটাকে যুগপোযোগী করা, কোনটা বাস্তব আর কোনটা বাস্তব না সেভাবে তৈরি করা।… যখন একজন প্রোপার চ্যানেলে এসে কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি নেবে তখন আগের জায়গায় আর তার চাকরি করার সুযোগ থাকে না।”
যোগ্য শিক্ষক পাওয়া গেলেও তাদের মধ্যে অনেকে উপাচার্য বা উপ-উপাচার্য হতে চান না বলে জানান শেখ কবীর।
“একেকজন দুই-তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পার্ট টাইম লেকচার দেন। তারা ভিসি হতে চান না। পার্ট টাইম লেকচার দিয়ে অর্থ উপার্জন করেন।”
আবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো উপচার্য নিয়োগের প্রস্তাব শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো পর কর্মকর্তারাও কালক্ষেপণ করেন বলে অভিযোগ তার।
‘আরেকটু চিন্তা করে’ ইউজিসিকে কোনো আদেশ জারি বা বিজ্ঞপ্তি প্রচারের অনুরোধ জানিয়ে ফারইস্ট ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান কবীর হোসেন বলেন, “তা না হলে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে।”
যদি শিক্ষকই পাওয়া না যায় তাহলে ছাত্র ভর্তি করানো কেন, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর যদি শিক্ষকই পাওয়া না যায় তাহলে ছাত্র ভর্তি করানো কেন, প্রশ্ন শিক্ষামন্ত্রীর যোগ‌্য কারা
>> আইনে বলা হয়েছে, ভাইস চ্যান্সেলর পদে নিয়োগের জন্য প্রথম শ্রেণি বা সমমানের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা পিএইচডি ডিগ্রি এবং কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে অন‌্যূন ১০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাসহ গবেষণা বা প্রশাসনিক কাজে ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
>> প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর পদে নিয়োগের জন্য প্রথম শ্রেণি বা সমমানের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অথবা পিএইচডি ডিগ্রি এবং কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয়ে অন‌্যূন ১০ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতাসহ গবেষণা বা প্রশাসনিক কাজে ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
>> ট্রেজারার পদে নিয়োগের জন্য অন্তত স্নাতকোত্তর ডিগ্রিসহ অন‌্যূন ১৫ বছরের অধ্যাপনা, প্রশাসনিক বা আর্থিক ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শীর্ষ পদগুলো ফাঁকা থাকাকে বড় সমস্যা হিসেবে দেখছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।
বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে তিনি বলেন, “এটা একটা বড় সমস্যা। ওই পদেই লোক পাচ্ছে না- তার মানে হল শিক্ষক সংকটটা কত তীব্র।”
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের বেশিরভাগই খণ্ডকালীন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “আইন অনুযায়ী স্থায়ী শিক্ষক থাকার কথা। তবে চাইলেই তো আর হবে না, পেতেও হবে। এটাও একটা ব্যাপার, বাস্তবতা আমাদের মেনে চলতে হবে।”
সংকট কাটানোর উদ‌্যোগ জ্নতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, “স্থায়ী কমিটি থেকে একটা কমিটি করে দেওয়া হয়েছে আগের আইন ঠিক আছে কি না- তা মূল্যায়ন করছে। এটা করতে তাদের (বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতি) সঙ্গেও কথা বলবে। তারাও তাদের কথা বলবেন, প্রস্তাব দেবেন। আরও কিছু বিষয়ে তারা মনে করেন আইন সংশোধন দরকার আছে। তারা সেগুলো জানালে আমরা বিবেচনার সুযোগ পাব।”
মুনাফার মনোভাব ছেড়ে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যোগ্য লোক নিয়োগ ও যোগ‌‌্য লোক তৈরির বিষয়ে মনোযোগী হতে বলেন শিক্ষামন্ত্রী।
“মুনাফার দিকে দৃষ্টি দিলে হবে না। লেখাপড়া শেখাতে হবে, উন্নত মান অর্জন করতে হবে। যারা শর্ত পূরণ করতে পারে না তাদেরকে আমরা রাখব কেন? যদি শিক্ষকই পাওয়া না যায় তাহলে ছাত্র ভর্তি করাব কেন?”

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 76 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ
error: