রমনা রেসকোর্স থেকে আজকের সোহরাওয়ার্দি উদ্যান

Print

রেসকোর্স থেকে সোহরাওয়ার্দী বাঙালির ইতিহাসের সূতিকাগার

15171058_10154149574391342_2194369928997060801_n

 

‘এই শিশু পার্ক সেদিন ছিল না/ এই বৃক্ষে ফুলে শোভিত উদ্যান সেদিন ছিল না/ তা হলে কেমন ছিল সেদিনের সেই বিকেল বেলাটি?/ তা হলে কেমন ছিল শিশু পার্কে, বেঞ্চে, বৃক্ষে, ফুলের বাগানে ঢেকে দেওয়া এই ঢাকার হৃদয় মাঠখানি?’

কবি নির্মলেন্দু গুণের ‘ঢাকার এই হৃদয় মাঠখানি’ আজকের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান, যা ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও বিজয়ের ইতিহাসে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ এখানেই দিয়েছিলেন। ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তান সেনাবাহিনী এ উদ্যানেই আত্মসমর্পণ করে। এখানে সবুজ ঘাস কথা বলে স্বাধীনতার। সুশোভিত বৃক্ষরাজির ঝরাপাতা শোনায় দেশমাতৃকাকে মুক্ত করার সংগ্রামে বীরাঙ্গনা মায়ের আত্মত্যাগ। আকাশছোঁয়া গøাস টাওয়ারের সোনালি আভা ছড়িয়ে দেয় বীরযোদ্ধাদের অমরকাব্য। নাম না জানা পক্ষীকুলের কলকাকলি দেশপ্রেমের চেতনায় আলো জ্বালিয়ে বারবার জানিয়ে যায়, এই সোহরাওয়ার্দী উদ্যান মিশে আছে বাংলার প্রতিটি পরতে পরতে।

 

রেসকোর্স থেকে সোহরাওয়ার্দী : মোগল আমলে রাজধানী ঢাকার কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত সুপরিসর এই নগর উদ্যান গড়ে উঠেছিল রমনা নামে। মোগল সাম্রাজ্য পতনের সঙ্গে সঙ্গে রমনাও তার সৌন্দর্য হারায়। ১৮২৫ সালে ঢাকার ইংরেজ কালেক্টর মি. ড’স ঢাকা নগরীর উন্নয়নে কিছু পদক্ষেপ নেন। ড’স জেলের কয়েদিদের নিয়ে রমনার জঙ্গল পরিষ্কার করে বের করে এনেছিলেন ডিম্বাকৃতির একটি অংশ, যার ফলে শহরের উত্তরাঞ্চল পরিচ্ছন্ন হয়ে উন্মুক্ত হয়েছিল বায়ু চলাচলের পথ। পরিষ্কার করা অংশটিকে কাঠের রেলিং দিয়ে ঘিরে তৈরি করা হয়েছিল রেসকোর্স। ইংরেজদের আমলে এই রেসকোর্সের উত্তর-পশ্চিমে একটি টিলা তৈরি করে তার চারিদিকে লাগিয়েছিলেন ফার গাছ এবং টিলার ওপর তৈরি করেছিলেন গথিক রীতির ছোট একটি ঘর।

তখনকার ঢাকার শিক্ষিত লোকজন বাড়িটির নাম দিয়েছিলেন ড’সের ফুল। ওই সময় রমনা আগের অবস্থা ফিরে পেয়েছিল। প্রতিদিন সকালে সাহেবরা এই এলাকায় বেড়াতে আসতেন, এমনকি প্রাতঃভ্রমণ শেষে ইউরোপীয়রা মিলিত হতেন ড’সের টিলায় কফি খেতে। মূল শহরের সঙ্গে রেসকোর্সকে যুক্ত করার জন্য ড’স উত্তর-পূর্ব দিকে তৈরি করেছিলেন একটি রাস্তা, যেটা এখন কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ নামে পরিচিত। রাস্তার দুপাশে লাগিয়েছিলেন মিমোসা বা ক্যাসুরিনা নামক দুষ্প্রাপ্য গাছ। ১৯৭১ সালে বিজয়ের পর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর নামানুসারে রমনা রেসকোর্স ময়দানের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় সোহরাওয়ার্দী উদ্যান।

ইতিহাসের খেরো পাতা : এই ময়দানেই ১৯৪৮ সালের ২১ মার্চ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ঘোষণা করেন, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। শোনার সঙ্গে সঙ্গে উপস্থিত বাংলার জনতা সমবেতভাবে তার প্রতিবাদ করেছিল। আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় শেখ মুজিবুর রহমান জেল থেকে মুক্তি পেলে ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে নাগরিক

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই দিনই শেখ মুজিব পরিণত হন বঙ্গবন্ধুতে। ১৯৭১ সালের ৩ জানুয়ারি রেসকোর্স ময়দানে মহাসমাবেশের আয়োজন করে আওয়ামী লীগ। জাতীয় সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাওয়া আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সদস্যরা এই মহাসমাবেশে শপথ গ্রহণ করেন, কোনো অবস্থাতেই এমনকি পাকিস্তানি সামরিক শাসকদের চাপের মুখেও তারা বাংলার মানুষের স্বার্থের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করবেন না। একাত্তরেই রেসকোর্স হয়ে ওঠে বাঙালির তীর্থক্ষেত্র।

৭ মার্চ এখানেই জন্ম নেয় নতুন ইতিহাস। জ্বালাময়ী সেই ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন বঙ্গবন্ধু। রচিত হয় বাঙালির অমর মহাকাব্যের, ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের স্বাীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম।’ প্রিয় নেতার কথায় সে সময় প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলেছিল সাধারণ মানুষ। যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে শত্রুর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। ইতিহাসের অংশ হয়ে যাওয়া এই ময়দানটির প্রতি পাকিস্তানি বাহিনীর আক্রোশ ছিল। তা স্পষ্ট হয় অপারেশন সার্চলাইট-পরবর্তী কর্মকাণ্ডে। ২৫, ২৬, ২৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানের কাছাকাছি অবস্থিত কালীমন্দির ও আনন্দময়ী আশ্রমের সন্ন্যাসী ও অধিবাসীরা গণহত্যার শিকার হন। এ সময় কালীমন্দির সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দেয়। কিন্তু এই ময়দানেই পাকিস্তানি বাহিনীকে ৯৩ হাজার সৈন্য নিয়ে যৌথ বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পণ করতে হয়। নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর বিজয় অর্জন করে বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে রেসকোর্স ময়দানে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর অধিনায়ক লে. জে. এ এ কে নিয়াজি আত্মসমর্পণ দলিলে স্বাক্ষর করেন। এটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সর্ববৃহৎ আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠান।

ইতিহাসের ইতিহাস : পাকিস্তানের বন্দিদশা থেকে বাংলাদেশে ফিরে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু এই উদ্যানেই ভাষণ দেন। সেখানে তিনি ঘোষণা করেন, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের ভিত্তি হবে জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা। কিছুদিন পর ১৭ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আরেকটি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ভারতের তখনকার প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী বক্তব্য রাখেন।

১৯৯২ সালে আবারো আলোচনায় আসে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান। জাহানারা ইমামের নেতৃত্ব গঠিত হয় একাত্তরের ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি। এই কমিটি ১৯৯২ সালের ২৬ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে গণআদালত গঠন করে। এই গণআদালত গোলাম আযমের বিচার করেন। ১২ জন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত গণআদালতের চেয়ারম্যান জাহানারা ইমাম গোলাম আযমের ১০টি অপরাধ মৃতুদণ্ডযোগ্য বলে ঘোষণা করেন। একটি উদ্যানের সঙ্গে এতগুলো ঐতিহাসিক ঘটনার নজির বিরল।

ইতিহাস ভুলে যাওয়ার ইতিহাস : ১৯৭৫ সালের পর উদ্যানটিকে স্রেফ সবুজে ঘেরা বিনোদন কেন্দ্রে পরিণত করা হয়। উদ্যানের একপাশে করা হয় শিশুপার্ক। রাখা হয় শিশুদের জন্য নানা ধরনের খেলাধুলার সরঞ্জাম, রেস্তোরাঁ এবং ছোটখাটো স্মারক জিনিসপত্র ক্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়। শুধু মুছে যায় সেই ঐতিহাসিক স্থানটি, যেখানে দাঁড়িয়ে ১৯৭১-এর ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু দিয়েছিলেন স্বাধীনতার ডাক। সবুজ ছায়ার অন্তরালে চলে যায় হানাদারদের আত্মসমর্পণের ঘটনা। যেন ‘সেদিনের সব স্মৃতি মুছে দিতে হয়েছে উদ্যত/কালো হাত।’

আঁধারবিনাশী আলো : বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংক্রান্ত ঐতিহাসিক ঘটনাকে আগামী প্রজন্মের কাছে স্মারক করে রাখতে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে স্বাধীনতা স্তম্ভ ও শিখা চিরন্তন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। ১৯৯৯ সালে ‘শিখা চিরন্তন’ স্থাপন করা হয় এবং একই সঙ্গে পাশেই যেখানে হানাদার পাকিস্তানি সেনারা আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেছিল, সেখানে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেয়া হয় স্বাধীনতা স্তম্ভ¢। সবুজ উদ্যান ভেদ করে দাঁড়িয়ে থাকা সুউচ্চ এই টাওয়ার যেন আকাশ ছুঁতে চাইছে। টাওয়ারের তিন পাশে কৃত্রিম জলাধার (ওয়াটার বডি)। দেশ ও দেশের বাইরে এমন দৃষ্টিনন্দন ও উচ্চতাসম্পন্ন গøাস টাওয়ার আর দ্বিতীয়টি নেই। রাতে কৃত্রিম আলোর প্রজেকশনে টাওয়ার ও জলাধারে এক স্বপ্নিল ও মায়াময় পরিবেশের জন্ম দেয়। ইস্পাতের কাঠামোর ওপর নির্মিত দুই দিকে ১৬ ফুট প্রস্থের টাওয়ারটির উচ্চতা ১৫০ ফুট। এর উপরিভাগে রয়েছে স্বচ্ছ কাচ। এতে সূর্যের আলো প্রতিসরণ ও প্রতিফলন হয়। রাতে আলোকচ্ছটা তৈরির জন্য রয়েছে বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা। রাতেও কৃত্রিম আলোর প্রজেকশনে টাওয়ার ও নিচের জলাধারে সৃষ্টি হয় এক স্বপ্নিল মায়াময় পরিবেশের। নানা ঘাত-প্রতিঘাতের পর সব আঁধার সরিয়ে স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম ও কাশেফি মাহবুব চৌধুরীর নকশা আলো ছড়াচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতার।

আমার প্রতিবাদের ভাষা, আমার প্রতিরোধের আগুন : পাঁচ বিখ্যাত শিল্পী মোহাম্মদ ইউনুস, মুকুল মকসুউদ্দীন, শিশির ভট্টাচার্য, ইফতেখারউদ্দিন আহমেদ এবং শ্যামল চৌধুরীর টেরাকোটা ম্যুরালের মধ্য দিয়ে উপস্থাপিত হয়েছে বাংলাদেশের অভ্যুদয়। উদ্যানের পূর্ব পাশের দেয়ালে তৈরি করা হয়েছে এ ম্যুরাল। ম্যুরালের প্রথম অংশে দৃশ্যমান বাঙালির চিরগৌরবের সেই বাণী ‘ধনধান্য পুষ্পভরা আমাদের এই বসুন্ধরা।’ স্থান পেয়েছে তেভাগা আন্দোলনের চিত্র। ১৯৪৮ সালের জিন্নাহর সেই ভাষণ, ’৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ভাষা শহীদ রফিক, জব্বারের গুলিবিদ্ধ লাশ, ‘৫৬-এর মওলানা ভাসানীর কাগমারী সম্মেলন, বঙ্গবন্ধুর কারাবরণ, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, আইয়ুব খানের পতন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়। রয়েছে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ ভাষণের অন্যতম ৭ মার্চের ভাষণ, ২৫ মার্চে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কালো থাবা, সেক্টর কমান্ডারদের প্রতিকৃতি, মুক্তিযুদ্ধ এবং সর্বশেষ পাকবাহিনীর আত্মসমর্পণের চিত্র। সময়ের নিরবধি বয়ে যাওয়ার জ্যামিতিক বুনিয়াদ হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ম্যুরালের এই পিরামিড।

ভূ-গর্ভস্থ জাদুঘর : সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতা স্তম্ভের সঙ্গে এক গৌরবময় মাত্রা যুক্ত হয়েছে যার নাম ভূ-গর্ভস্থ জাদুঘর। টেরাকোটা ম্যুরালের নিচের অংশে এ জাদুঘরের অবস্থান। ওপর থেকে নিচে প্রসারিত হয়েছে জাদুঘরের প্রবেশপথ। প্রবেশের সময় রঙিন কাচের ভেতর থেকে আসা হালকা সবুজ আলো দেখে মনে হবে যেন কোনো গহীন সুড়ঙ্গ পথে হারিয়ে যাচ্ছি। প্রথমেই হলঘর চোখে পড়বে অসংখ্য ছবি। ‘স্বাধীনতা এই শব্দটি কিভাবে আমাদের হলো’ নির্মলেন্দু গুণের সেই বিখ্যাত কবিতা সেঁটে দেয়া হয়েছে দেয়ালের এ অংশে। এর পাশে স্থান পেয়েছে কিছু ঐতিহাসিক দলিলসহ বঙ্গবন্ধুর স্বাক্ষর করা স্বাধীনাতার ঘোষণাপত্র। তার কাছেই চোখে পড়বে গ্রানাইটে নির্মিত ব্লু্যাক জোনের দেয়ালে ছোট ছোট ৭৭টি ছবি। যেখানে স্থান পেয়েছে একাত্তরের কালরাতের ছবি ও পাকবাহিনীর নির্মম কর্মকাণ্ড। বাম পাশে স্থান পেয়েছে একটি জলাধার। এই জলাধার যেন একাত্তরে সন্তান হারানো মায়ের কান্নার প্রতীক। রয়েছে নিয়াজির আত্মসমর্পণের দলিলের অনুলিপি। শেষ অংশে স্থান পেয়েছে বঙ্গবন্ধুর দেশে ফেরার ছবি। জাদুঘরের মধ্যে অডিও ভিজ্যুয়াল কক্ষে শুধুমাত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের বিভিন্ন আলোকচিত্র দেখানোর জন্য ১৫৬টি আসনের অডিটোরিয়াম গড়ে তোলা হয়েছে।

উন্মুক্ত মঞ্চ : সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বাংলা একাডেমির ঠিক বিপরীত পাশে তৈরি করা হয়েছে উন্মুক্ত মঞ্চ। রোমান এম্পিথিয়েটারের মতো আকৃতির গোলাকার এ মঞ্চে প্রবেশের জন্য দুটি মূল পথ রাখা হয়েছে। প্রায় দুই হাজার দর্শক ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন এ মঞ্চের চারিদিকে রয়েছে গোলাকার গ্যালারি। উঁচু গ্যালারি ধীরে ধীরে নিচু হয়ে মঞ্চে এসে মিশে গেছে। পাশে রয়েছে গ্রিনরুম, নারী-পুরুষের জন্য আলাদা আধুনিক গণশৌচাগার। তাছাড়া রাতে অনুষ্ঠান পরিচালনার জন্য আলাদা আলোর ব্যবস্থাও রয়েছে।

সময়ের পরিক্রমায় ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যান পরিণত হয়েছে রাজধানীর অন্যতম পর্যটন কেন্দ্রে। ভোরের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যস্ত হয়ে ওঠে উদ্যান। এই ব্যস্ততা চলে মধ্যরাত পর্যন্ত। ৪০০ বছর বুকে নিয়েও ক্লান্তিবিহীন অনন্তযৌবনা এই জাতীয় উদ্যান।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 30 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ