সিরিয়াল কিলার নান্নুর হাতেই ১৪ খুন

Print

%e0%a6%b8%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a6%bf%e0%a7%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%a8%e0%a6%be%e0%a6%a8%e0%a7%8d%e0%a6%a8%e0%a7%81%e0%a6%b0-%e0%a6%b9%e0%a6%beযশোরের ত্রাস দুই নান্নু। শহরের বারান্দিপাড়ার বাসিন্দা মাসুদুর রহমান নান্নুকে সবাই চেনেন এবং জানেন। তাকে ধরতে পুলিশ একবার গুলিও চালিয়েছিল। কিন্তু চুরামনকাঠির মোখলেছুর রহমান নান্নু শহরে তেমন পরিচিত নন। তবে কয়েক স্থানে তার নাম নিতেও কেঁপে উঠে আত্মা ।
পুলিশের খাতায় তিনি পলাতক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও সর্বহারা দলের নেতা। এলাকায় মিয়া বাহিনীর প্রধান। আছে নিজস্ব অস্ত্রভাণ্ডার। চাঁদাবাজির টাকায় বিত্তশালী। এ সিরিয়াল কিলারের অবৈধ অস্ত্রের গুলিতে ইউপি চেয়ারম্যান, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতিসহ অন্তত ১৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন। অথচ অধ্যবধি দুর্ধর্ষ এ কিলার পুলিশের ধরা-ছোঁয়ার বাইরেই রয়ে গেছেন।
জানা গেছে, হত্যাসহ অন্তত ২০ মামলার আসামি মোখলেছুর রহমান নান্নু। তার নিয়ন্ত্রণাধীন মিয়া বাহিনীতে আছে ৪১ সদস্য। এদের নেতৃত্বেই যশোরের চুরামনকাঠি, চৌগাছা, ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ ও বারোবাজারসহ ওই এলাকায় চাঁদাবাজি চলে প্রকাশ্যে। চলে তাণ্ডব। তাতে মানুষের ঘুম হারাম। ভয়ে এ অঞ্চলের কেউ মুখ খুলতে সাহস করেন না। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ দলীয় স্থানীয় একাধিক নেতার ছত্রছায়ায় নান্নু দুর্ধর্ষ হয়ে উঠেছেন। যুগান্তরের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এ সিরিয়াল কিলারের লোমহর্ষক কাহিনী।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে যশোরের পুলিশ সুপার আনিসুর রহমানের সঙ্গে শনিবার যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি মিটিংয়ে আছি। বিষয়টি নিয়ে সদর থানার ওসির সঙ্গে কথা বলুন।
যশোর কোতোয়ালি থানার ওসি ইলিয়াস হোসেন শনিবার বলেন, ‘নান্নুকে ধরতে সাঁড়াশি অভিযানও চালিয়েছি। অসংখ্য মামলা রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে ক’টি মামলায় তার বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে বিস্তারিত এ মুহূর্তে জানানো সম্ভব নয়।’ তিনি বলেন, ‘যে কোনো ধরনের অপরাধ সংঘটিত করেই সে ভারতে চলে যায় বলে আমাদের কাছে তথ্য আছে।’ এক প্রশ্নের উত্তরে ওসি বলেন, ‘৪১ সদস্যের মিয়া বাহিনীর বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। তবে নান্নুর সাঙ্গপাঙ্গ কয়েকজনকে বিভিন্ন সময় গ্রেফতার করা হয়েছে। এরা জামিনে বের হয়ে কিছুদিন নীরব থাকে। পরে আবার শুরু করে। মিয়া বাহিনীর সদস্যদের সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া গেলে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। সন্ত্রাসের সঙ্গে পুলিশ আপস করবে না।’ তথ্যানুসন্ধানে নান্নুর বিরুদ্ধে ১৪টি হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকার অভিযোগ সম্পর্কে জানালে ওসি বলেন, ‘এরকমই হবে।’
তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে, ১৯৯৭ সাল থেকে মোখলেছুর রহমান নান্নুর কিলিং মিশন শুরু হয়। তিনি মূলত ভাড়াটে কিলার হিসেবে খুন করে থাকেন। রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব, ক্ষমতার প্রভাব, ব্যক্তি দ্বন্দ্বের জেরে প্রতিপক্ষরা তাকে ব্যবহার করে থাকে। এক সময় জেলার শীর্ষ এক আওয়ামী লীগ নেতা তাকে শেল্টার দিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। তবে অধিকাংশ খুনের ঘটনায় নান্নু ছিলেন অনেকটা ধরা-ছোঁয়ার বাইরে। ’৯৭ সালের পর বিভিন্ন ছোট ছোট মামলার আসামি হিসেবে পুলিশের খাতায় নাম উঠতে থাকে তার। ২০০২ সালে প্রথম তার বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করা হয়।
অনুসন্ধানে আরও দেখা গেছে, প্রকাশ্যে ও দিন-দুপুরে হত্যায় অংশ নেন এ সিরিয়াল কিলার। কিন্তু মামলা করারও সাহস করেন না কেউ। এমন ৯টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় হওয়া মামলায় তাকে আসামিই করা হয়নি। কিন্তু সবাই জানেন, এসব হত্যায় তার সরাসরি অংশগ্রহণ রয়েছে। তবে ৩১ সেপ্টেম্বর চৌগাছার পাশাপোল ইউপি চেয়ারম্যান আবুল কাশেম, ২০১৩ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর শিংহজুলি ইউপি চেয়ারম্যান ও যশোর জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি জিল্লুর রহমান মিন্টু, ২০১৪ সালের ২৯ নভেম্বর যশোর সদর উপজেলার কাশিমপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগ সদস্য বাবু, ২৯ মার্চ বারীনগর এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী ও বিএনপি কর্মী ইদ্রিস আলীসহ ৬টি হত্যার ঘটনায় তাকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়। সর্বশেষ যশোরের আরেক সন্ত্রাসী হাফিজুর রহমান মরাকে হত্যার ঘটনায়ও শুক্রবার তাকে আসামি করে পুলিশ মামলা করেছে।
এদিকে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থানার বারোবাজার ইউনিয়নের বাদুরগাছা গ্রামের গুরুদাস, একই গ্রামের মিন্টু, বারোবাজার ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক পিরোজপুর গ্রামের আবদুর রউফ, সুবনসরা গ্রামের মোমিন, যশোর কোতোয়ালি থানার হৈবতপুর ইউনিয়নের মথুরাপুর গ্রামের চকোমালি, ইছালি গ্রামের কোহিনূর, চুরামনকাঠি ইউনিয়নের সাজিয়ালি গ্রামের আনিস, হাশিমপুর ইউনিয়নের হাশিমপুর গ্রামের জয়নাল ও লিটু হোসেন হত্যা মামলায় তাকে আসামিই করা হয়নি। এসব ভিকটিম পরিবারের সদস্যরা নান্নুর ভয়ে সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলতেও রাজি হননি। তবে সরেজমিন গিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এসব হত্যায় নান্নুর সংশ্লিষ্টতা ছিল। তবে পুলিশ বিষয়টি কিভাবে নিয়েছে তা তারা জানেন না।
২৯ মার্চ বারীনগর এলাকার কাঠ ব্যবসায়ী ও বিএনপি কর্মী ইদ্রিস আলীর পরিবারে পক্ষ থেকে নান্নুর বিষয়ে প্রথম কেউ প্রতিবাদ করতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হন। লিখিত অভিযোগ করেন। এর অনুলিপি হাতে এসেছে। এতে বলা হয়, খুনি সাম্রাজ্যের অধিপতি এ নান্নু দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে গড়ে তুলেছেন বিশাল বাহিনী। প্রকাশ্যে তো দূরের কথা গোপনেও তার নাম কেউ মুখে আনতে সাহস করেন না। গোপনেও যদি কেউ প্রতিবাদ করেন তার রক্ষা নেই। মৃত্যু তার অবধারিত। যে কারণে ইদ্রিস হত্যাকাণ্ডের সময় প্রত্যক্ষদর্শী থাকা সত্ত্বেও ওই মামলায় তাকে আসামি করতে পারেনি। তবে পুলিশ ওই ঘটনায় শ্যামনগর গ্রামের সাদেক আলীর ছেলে সবুজ মিয়াকে গ্রেফতার করলে তার দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে নান্নুর পরিকল্পনার বিষয়টি প্রকাশ পায়। এ কারণে মামলার বাদী নিহত ইদ্রিস আলীর ছেলে সুফিয়ান জামিল সেতুসহ পরিবারের সদস্যরা নান্নুর ভয়ে এখন বাড়ি ছাড়া। নান্নু এবং তার বাহিনীর সদস্যদের হুমকি-ধমকিতে এলাকায় এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এই পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন, খুনি নান্নু অনেক মায়ের বুক খালি করেছে। সন্তান, মা, বিধবা স্ত্রী, এতিম সন্তানরা কত কঠিন বাস্তবতায় জীবন-যাপন করছেন তা ভুক্তভোগী ছাড়া কেউ অনুধাবন করতে পারে না। তাদের করুণ আর্তনাদে এ এলাকার বাতাসও ভারি হয়ে উঠেছে। নিরাপত্তার অভাবে অনেকে এখন এলাকা ছাড়া।
হোটেল বয় থেকে দুর্ধর্ষ
যশোর কোতোয়ালি থানার কাশিমপুর ইউনিয়নের শ্যামনগর গ্রামের অত্যন্ত হতদরিদ্র পরিবারে জন্ম মোখলেছুর রহমান নান্নুর। তার বাবা সাইফুল ইসলাম ছাফু এখনো বাঁশ-বেতের তৈরি সামগ্রী বিক্রি করে পৃথকভাবে বসবাস করেন। ছেলের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের কারণে নিজেকে সবসময় আড়াল করে রাখেন। তার বৃদ্ধ বাবা-মা পুরনো বাড়িতে বসবাস করলেও পাশেই দালান তুলেছেন এ সিরিয়াল কিলার। সেখানে তার স্ত্রী এক সন্তান নিয়ে আছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছাফু মিয়ার ৯ সন্তানের মধ্যে মেজ নান্নু। ১৯৮৬ সালে যশোর আরএন রোডে একটি আবাসিক হোটেলে বয়ের কাজ করতেন। সেখান থেকেই তার অপরাধ জগতের দ্বার উন্মুক্ত হয়। এক সময় হোটেল বয়ের চাকরি ছেড়ে মাদক ব্যবসায় নেমে যান নান্নু। আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন আসে। কিছুদিনের মধ্যেই যোগ দেন নিজ গ্রাম শ্যামপুরে সর্বহারা দলের অধিপতি ইউনুস আলী ইনো এবং কেরো নজরুলের বাহিনীতে। শুরু হয় অন্ধকার জগতে রাম-রাজত্ব। তার দক্ষতায় মুগ্ধ হয়ে আরেক সর্বহারা দলনেতা শরিফুল তাকে দলে ভেড়ান। শরিফুল বহিনীর প্রধান কিলার এবং সেকেন্ড ইন কমান্ডের দায়িত্ব পান। ’৯৭ সালের দিকে পুলিশের হাতে শরিফুল নিহত হলে তার বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নেন নান্নু। শরিফুলের নাম মুছে দিয়ে বাহিনীর নাম দেন ‘মিয়া বাহিনী’। এলাকার ছিঁচকে সন্ত্রাসী, মাদকসেবী ও বিক্রেতাদের নতুন সদস্য করেন।
৪১ সদস্যের বাহিনীতে যারা : তথ্যানুসন্ধানে এই মিয়া বাহিনীর ৪১ সদস্যের নাম পাওয়া গেছে। এরা হল- শ্যামনগর গ্রামের ইউনুস আলী ইনো, কেরো নজরুল, জাহাঙ্গীর, মনোয়ার, জিল্লু, শফি, শুকুর, ইসহাক ও প্রিন্স। বারীনগর গ্রামের সবুজ, নাঈম, লিংকন, পিকুল ও এরশাদ। হাশিমপুর গ্রামের জুয়েল, বুলি ও বাবলু। গোবরা এনায়েতপুর গ্রামের খায়রুল (বর্তমানে কারাগারে)। সালিয়াট গ্রামের ইমলাক (বর্তমানে কারাগারে)। নিউমার্কেট এলাকার ছাপ্পান। হৈবতপুর ইউনিয়নের মকবুল মেম্বার, ছোট হৈবতপুর গ্রামের বাবলু ও মিজানুর। বড় হৈবতপুর গ্রামের দিলীপ। কাশিমপুর গ্রামের সোহেল। মানিকদিহি গ্রামের সোহাগ। ললিতাদহ গ্রামের শিমুল, সাদ্দাম ও সোহাগ। ডহেরপাড়া গ্রামের ইমরান। রহমতপুর গ্রামের আকবর হোসেন। দৌলতদিহি গ্রামের রেজাউল ও শিমুল। ভগোলপুর গ্রামের কবির হোসেন। মথুরাপুর গ্রামের শাহজাহান কসাই। কেফায়েতনগর গ্রামের শিমুল এবং নওদাগ্রামের তুহিন। এছাড়া ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের মোকা। বারোবাজারের জামিরুল (বর্তমানে কারাগারে)। বারোবাজার ইউনিয়নের সুবর্ণসরা গ্রামের সোনা (বর্তমানে কারাগারে)।
চাঁদাবাজি যেভাবে
বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার মানুষ তাদের নাম প্রকাশ না করার অনুরোধ করে যুগান্তরকে বলেন, নান্নুর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির কোনো অভিযোগ তারা করেন না। কারণ নান্নু ও তার বাহিনীর সদস্যদের চাঁদা চাওয়ার স্টাইলেই সাধারণ মানুষ কম্পমান। বারীনগর বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, স্থানীয় বারীনগর বাজার, বারোবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে মিয়া বাহিনীর সদস্যরা সক্রিয় রয়েছে। অধিকাংশ ব্যবসায়ীকে নীরবে চাঁদা দিতে হয়। চাঁদাবাজির কৌশল হচ্ছে- তাদের টার্গেট করা কোনো ব্যক্তিকে বলা হয়, ‘আজ রাতে বাহিনীর কিছু লোককে থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। যদি ওই বাড়িতে কোনো মেয়ে বা স্ত্রী-লোক থাকেন, তাহলে তারও আর রক্ষা নেই।’ সাধারণ মানুষ মান-সম্মানের ভয়ে এসব অত্যাচার নীরবে সহ্য করেন। চাঁদা না দিলে বলা হয়, ‘টাকা দিবি না উপরে পাঠিয়ে দেব। নাকি তোর মেয়েকে রাতে উঠিয়ে নিয়ে যাব।’ এসব বলে হুমকি দিলে মিয়া বাহিনীর সদস্যদের কাছে কোনোরকম প্রতিবাদ ছাড়াই টাকা তুলে দিতে বাধ্য হন। এখন বিকাশের মাধ্যমেও চাঁদা নেয়া হয়।
সূত্র জানায়, বারীনগর বাজারের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে জোর করে ২৫ লাখ টাকা, এক চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা, ললিতাদহ গ্রামের আরেকজনের কাছ থেকে ১২ লাখ টাকা, বারীনগর বাজারের এক মেম্বারের কাছ থেকে ৩ লাখ টাকা এবং আরেকজন চেয়ারম্যানের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা নিয়ে যায়। তারা ভয়ে নামও প্রকাশ করতে পারছেন না।
সূত্র জানায়, অনেকে আবার নান্নুকে ‘ভালোবেসেও’ টাকা দেন। হৈবতপুর ইউনিয়নের এক সাবেক চেয়ারম্যান এ তালিকায় আছেন। বারীনগর বাজারের চা বিক্রেতা দিলিপ মা টেলিকমের বিকাশের মাধ্যমে বেশিরভাগ টাকা নান্নুর কাছে পাঠান। স্থানীয় বারীনগর বাজারের ললিতাদাহ সুপার মার্কেট, বালিয়া ডাঙ্গা গ্রামের একজন আড়তদার, মুদির দোকান, কাপড়ের দোকান, জুতার দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছ থেকে এ টাকা নেয়া হয়। এছাড়া তার নামে এলাকায় মাদক ব্যবসাও চলে। তার বাহিনীর সদস্যরা ফেনসিডিল ও ইয়াবার ব্যবসাও করে থাকে। নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে মাদকের দু’জন মহিলা ডিলার বিভিন্ন প্রকারের মাদক নিয়ে থাকে। বারীনগর থেকে এরা ফেনসিডিল দিয়ে ইয়াবা নিয়ে আসে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 58 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ