সীতাকুণ্ডে প্রেমিক-প্রেমিকার আত্মহত্যা

Print

%e0%a6%b8%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a7%81%e0%a6%a3%e0%a7%8d%e0%a6%a1%e0%a7%87-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%ae%e0%a6%bf%e0%a6%95-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87%e0%a6%aeবার ঘন্টার ব্যবধানে আত্মহত্যা করে পৃথিবী থেকে চিরতরে বিদায় নিলেন সীতাকুণ্ডর দুই প্রেমিক যুগল। শুক্রবার রাত ৮টায় ও শনিবার সকাল ৮টায় উপজেলার কুমিরার উত্তর কাজী পাড়া এবং ভাটিয়ারী বিজয় স্মরণী কলেজের পূর্ব পাশে এলাকায় এ আত্মহত্যার ঘটনা ঘটে। এ ধরনের ঘটনায় দুই পরিবারের সদস্যরা নিরব থাকলেও পুরো এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।
নিহত প্রেমিক যুগল হলেন, সীতাকুণ্ডে কুমিরা উত্তর কাজী পাড়া এলাকার সাবেক মেম্বার আবু তাহেরের কন্যা মাহমুদা আক্তার মিলি (২১) এবং একই এলাকার আহাম্মদ মেম্বারের ছেলে মো. রিজবী (১৮)। মিলি ভাটিয়ারীস্থ বিজয় স্মরণী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একই এলাকায় বসবাসের সুবাদে কলেজ পড়ুয়া মিলির সঙ্গে রিজবীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। উভয়ের পরিবার বিষয়টি মেনে না নিলে রিজবী শুক্রবার রাতে গলায় ফাঁস দেয়। এক পর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পেরে ঘরের দরজা ভেঙ্গে ফাঁসিতে ঝুলন্ত রিজবীকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এ ঘটনার পর পরিবারের সদস্যরা স্থানীয় চেয়ারম্যানকে অবহিত করে সীতাকুণ্ড থানা পুলিশের অনুমতি নিয়ে ভোররাতে রিজবীর লাশ দাফন করেন। এদিকে প্রেমিকের আত্মহত্যার ঠিক বার ঘন্টা পর শনিবার সকালে কলেজে যাওয়ার কথা বলে ঘর থেকে বেরিয়ে যান মিলি। এ সময় তিনি কলেজে না গিয়ে ভাটিয়ারী রেলস্টেশন এলাকায় চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেন। নিহত মিলির পরিবার প্রেমের বিষয়টি অস্বীকার করে এটাকে আত্মহত্যা বলে দাবি করলেও এ ঘটনায় স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে।
প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে কুমিরা ইউপি চেয়ারম্যান মোরশেদ জানান, শুক্রবার রাতে রিজবী পরিবারের সদস্যদের অলক্ষে নিজ ঘরের দরজা বন্ধ করে ফাঁসিতে ঝূলে আত্মহত্যা করেন। বার ঘন্টা পর চলন্ত ট্রেনের নিচে ঝাপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন মিলি। দুই পরিবারের লোকজনের অনুরোধে বিষয়টি পুলিশকে অবহিত করে পূর্বক লাশ দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।
সীতাকুণ্ড মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোজাম্মেল প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যার বিষযটি স্বীকার করে বলেন, বিষয়টি জানতে পেরে আমরা ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছে। নিহত রিজবী ও মিলির পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় চেয়ারম্যানের অনুরোধক্রমে ময়না তদন্ত ছাড়াই নিহত দু’জনের লাশ দাফনের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 215 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ