সুচির নোবেল পুরস্কার ফিরিয়ে নিতে অনলাইনে আবেদন

Print

মিয়ানমারের নেত্রী আং সা সুচির
নোবেল শান্তি পুরস্কার ফিরিয়ে
নেয়ার জন্য অনলাইনে এক
আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন হাজার
হাজার মানুষ।
মিয়ানমারের সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা
মুসলিমদের বিরুদ্ধে ব্যাপক মানবাধিকার
লংঘনের ঘটনার ব্যাপারে কোন
অবস্থান নিতে ব্যর্থ হওয়ায় তার
নোবেল শান্তি পুরস্কার ফিরিয়ে
নেয়ার আহবান জানানো হয় এই
আবেদনে।
চেঞ্জ ডট অর্গে এই আবেদনে
ইতোমধ্যে সই করেছেন লক্ষাধিক
মানুষ। ধারণা করা হচ্ছে ইন্দোনেশিয়া
থেকে এই আবেদনটি জানানো
হয়েছে।
এদিকে বিবিসি জানিয়েছে,
মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের জন্য বাংলাদেশের সীমান্ত খোলা রাখার আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর।
মিয়ানমারের সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা মানুষদের জন্য বাংলাদেশ যেন নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে সেসম্পর্কে বলেছে সংস্থাটি।
এদিকে বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমার সীমান্তে নজরদারি বাড়াতে আজ আরো তিন প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে।
ইউএনএইচসিআর এক বিবৃতিতে মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের অবস্থা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে। মিয়ানমারের সরকারকে সেখান মানুষদের নিয়ম অনুযায়ী রক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছে।
একই সাথে সেখানকার সহিংস পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে যারা বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করছে তাদের জন্য বাংলাদেশ সরকার যেন নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করে সে বিষয়ে আহ্বান জানিয়েছে।
গত ৯ই অক্টোবর মিয়ানমারের রাখাইন সীমান্ত চৌকিতে এক হামলার জের ধরে অভিযান শুরু করে দেশটির সেনাবাহিনী। এর পর থেকেই সেখান থেকে নাফ নদী পার হয়ে বাংলাদেশের টেকনাফে ঢোকার চেষ্টা করে অনেকে।
এদিকে নাফ নদী পারি দিয়ে বাংলাদেশের ঢোকার সম্ভাব্য সব পথে নজরদারি জোরদার করেছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড।
বিজিবির দুই এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল আবু জার আল জাহিদ বলছিলেন আজ আরো তিন প্লাটুন সৈন্য মোতেয়েন করা হয়েছে নজরদারি বাড়াতে। তিনি বলছিলেন শতভাগ নি:ছিদ্র করা না গেলেও সম্ভাব্য অনুপ্রবেশের পথ গুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।
বিজিবির এই সদস্য বলছিলেন গত বুধবার রাতে ১৬ জনের একটি দল নদীপথে বাংলাদেশে ঢোকার চেষ্টা করলে তারা তাদেরকে ফেরত পাঠান। তারা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর কিনা সেটা নিশ্চিত করেন নি তিনি।
তবে স্থানীয় সূত্র গুলো বলছে গতকাল রাতেও ৭৮ জনের একটি দল প্রবেশ করার চেষ্টা করলে করলে তাদেরকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
মিয়ানমারের মুসলিম অধ্যুষিত রাখাইন প্রদেশের গ্রামগুলোতে ৯ই অক্টোবরের পর অন্তত ৬৯ জনকে হত্যা করার কথা স্বীকার করে দেশটি সেনাবাহিনী।
রাখাইন প্রদেশে সম্প্রতি শুরু হওয়া বিদ্রোহ দমনের অংশ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে বলে উল্লেখ করছে সেনাবাহিনী।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 81 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ