সেতু, সে তো অনেক দূর!

Print

%e0%a6%b8%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%81-%e0%a6%b8%e0%a7%87-%e0%a6%a4%e0%a7%8b-%e0%a6%85%e0%a6%a8%e0%a7%87%e0%a6%95-%e0%a6%a6%e0%a7%82%e0%a6%b0কুড়িগ্রামের রৌমারীর পুরাতন যাদুরচর এলাকায় নির্মিত ৪০ ফুট দীর্ঘ সেতুটি নির্মাণে ব্যয় হয় ৩২ লাখ ৫২ হাজার ৬৫৩ টাকা। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে যাদুরচর ইউনিয়নের ময়নাল মেম্বারের বাড়ির কাছে বন্যায় ভেঙে যাওয়া সড়কে সেতুটি নির্মিত হয়। কিন্তু সংযোগ সড়কের দুই পাশের মাটি ভরাট না করায় বহুদিন ধরে অব্যবহৃত হয়ে পড়ে আছে সেতুটি।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর নির্মিত সেতুটির সংযোগ সড়ক অসম্পূর্ণ থাকায় পথচারীরা যেমন দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন তেমনি ওই সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বাধ্য হয়ে সেতুর পাশ্ববর্তী ফসলের মাঠ দিয়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে এলাকার হাজার হাজার মানুষকে।
গত জুলাই মাসে নির্মাণকাজ শেষ হয় সেতুটির। সড়ক ভরাটের মাটি না পাওয়ার অজুহাতে ঠিকাদার সড়কের কাজ শেষ না করেই চলে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, সেতুটি নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। শেষে মাটি না পাওয়ার অজুহাতে ঠিকাদার কাজ শেষ না করেই চলে গেছে। ফলে গত চার মাস ধরে সেতুটি নির্মিত হলেও তা কোনো কাজে আসছে না।
সরেজমিনে সেতুটি ঘুরে দেখা গেল, মূল সড়ক থেকে সেতুটির উচ্চতা অন্তত আট ফুট। ফলে কোনো ভাবেই এ সেতু দিয়ে চলাচল সম্ভব নয়। রৌমারী উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, সংযোগ সড়কের দুই পাশের মাটি ভরাটের জন্য বরাদ্দকৃত টাকা এখনো আটকে আছে। তবে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে দ্রুত মাটি ভরাটের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 67 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ