৬টি উপায়ে আর্থ্রাইটিস কমিয়ে আনবেন!

Print
ঠিকমতো হাঁটতে সমস্যা, বসে থাকতে পারবেন না, এমনকি কোনো কাজও ঠিকমতো করতে পারবেন না যদি আপনার আর্থ্রাইটিস হয়। তাহলে কি এর থেকে রক্ষা পাওয়ার বা এই রোগের লক্ষণ কমিয়ে আনার কোনো উপায় নেই?
88571_12

অবশ্যই আছে। এর মধ্যে ৬টি উপায় আজ বর্ণনা করবো। চলুন জেনে নেই-

আর্থ্রাইটিস নিয়ন্ত্রণের ৬টি পন্থা

ব্যায়াম করুন নিয়মিত!

সপ্তাহে নিয়মিত ১ ঘন্টা ব্যায়াম করলে আর্থ্রাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা ৩০ শতাংশ কমে যায়। ভারী ব্যায়াম করতে না পারলে হাল্কা স্ট্রেচিং ব্যায়াম করলেও উপকারে আসে।

ওজন নিয়ন্ত্রণ

শরীরের ওজন বেড়ে গেলে অস্থিসন্ধিগুলোতে প্রচুর চাপ পড়ে। তাই ওজন কমানোর মাধ্যমে আর্থ্রাইটিসের সম্ভাবনা অনেকাংশে কমিয়ে আনা যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ১১ পাউন্ড ওজন বাড়লে অস্টিয়আর্থ্রাইটিস হওয়ার সম্ভাবনা ৩৬ শতাংশ বেড়ে যায়।

ধূমপান? কখনো না!

ধূমপান আমাদের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা দুর্বল করে দেয়। যা আমাদের অস্থিসন্ধিগুলোতে আক্রমন করতে পারে। ফলে রিউম্যাটয়েড আর্থ্রাইটিস হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

শুধুমাত্র অ্যাথলেট নয়, আপনিও করতে পারেন ভারোত্তোলন!

ভারোত্তোলনের মাধ্যমে মাংসপেশির দৃঢ়তা বৃদ্ধি করা যায় যা আর্থ্রাইটিস প্রতিরোধে খুবই উপকারী। গবেষণায় পাওয়া গেছে যেসকল মহিলাদের শক্তিশালী ঊরূ থাকে তাদের নি-আর্থ্রাইটিস্‌ হওয়ার প্রবণতা ৫৫ শতাংশ কমে আসে।

পর্যাপ্ত ভিটামিন ‘ডি’ গ্রহন করুন!

ভিটামিন ডি আমাদের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা আরও সবল করে। হাড় মজবুত করে এবং অস্থিসন্ধিস্থলকে বিভিন্ন ক্ষতি হওয়া থেকে বাঁচায়।

ফল খান দু হাত ভরে!

ফলমূলে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, বেটাক্রিপ্টোক্সানথিন এবং অন্যান্য অনেক উপকারী উপাদানের কারণে ফলের রঙ লাল, কমলা, নীল বা সবুজ হয়ে থাকে। এই সকল উপাদান আর্থ্রাইটিসের ঝুঁকি ২০ থকে ৪০ শতাংশ কমিয়ে দেয়। ভিটামিন সি অস্থিসন্ধির জন্য অনেক উপকারী। বিভিন্ন টকজাতীয় ফলের মধ্যে ভিটামিন ‘সি’ পাওয়া যায়।

তারপরও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করুন!

যেকোনো পদক্ষেপ নেওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে যারা রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধির ঔষধ সেবন করছেন তারা এই সকল প্রাকৃতিক চিকিৎসা নেওয়ার আগে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 77 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ