৭ কোটি টাকার গাড়িটি কার

Print

%e0%a7%ad-%e0%a6%95%e0%a7%8b%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%97%e0%a6%be%e0%a7%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0রাজধানীর একটি থানায় প্রায় ১০ বছর ধরে পড়ে থাকা ৭ কোটি টাকা মুল্যের পোরসে মডেলের গাড়িকে বেনামি ও মালিক ছাড়া দেখিয়ে হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে একটি চক্র। তবে গাড়ির প্রকৃতমালিক বলেছেন এর আগেও দুবার একটি চক্র গাড়িটি হাতিয়ে নেবার চেষ্টা করে।
পুলিশ বলছে, এটি ২০০৭ সালের দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন) আইনে দায়ের করা একটি মামলার আলামত।
বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরীর একটি বিলাস বহুল গাড়ি তেজগাঁও থানায় দীর্ঘদিন পড়ে আছে। গাড়িটি বেনামি ও মালিক ছাড়া দেখিয়ে একটি মহল হাতিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে- এমন একটি খবরের ভিত্তিতে সরেজমিনে তেজগাঁও থানায় গিয়ে দেখা যায়, থানার সামনে অযত্নে অবহেলায় পড়ে আছে বিলাসবহুল পোরসে মডেলের দামি গাড়িটি।
তেজগাঁও থানার রেকর্ড থেকে জানা যায়, গাড়িটি মূলত ২০০৭ সালের দুদকের পক্ষ থেকে খাগড়াছড়ি থানায় দায়ের করা একটি মামলার আলামত।
দুদকের জরুরি ক্ষমতা বিধি (সংশোধনী) এর ১৫ (খ), (ঘ) ধারায় এ মামলাটি করা হয় ২০০৭ সালের মার্চে।
সে মামলার আলামত হিসেবে রাজধানী থেকে এ গাড়িটি জব্দ করা হয়। তেজগাঁও থানায় এ সংক্রান্ত একটি জিডিও রয়েছে।
এদিকে বিশ্বস্ত সূত্রটি জানায় ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় থেকে একটি চক্র ৭ কোটি টাকা মুল্যের এই গাড়িটি সংশ্লিষ্ট মামলার আলামত নয় এমন ষড়যন্ত্র করে নিলাম দিয়ে আদালতের মাধ্যমে হাতিয়ে নিতে চাচ্ছে।
তেজগাঁও থানার দেওয়া মামলার তথ্যানুসন্ধান করতে গিয়ে দেখা যায়, এই গাড়ির মালিক খাগড়াছড়ির সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা ওয়াদুদ ভূইয়া।
ওয়াদুদ ভূইয়ার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তেজগাঁও থানায় তার একটি পোরসে গাড়ি আছে।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এক এগারোর তথাকথিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার ক্ষমতা দীর্ঘায়িত করতে গায়ের জোরে অন্যায়ভাবে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সিনিয়র মন্ত্রী এমপিদের গ্রেফতার করে। সেই সময় আমাকেও আটক করে জেলে দেয়। ২০০৭ সালে একটি মামলায় গাড়িটি আটক করা হয়। একের পর এক মামলা দিয়ে কারাবন্দি করে রাখে। তখন আমার এই গাড়িও জব্দ করে নিয়ে যায়। যা আমি সংসদ সদস্য হিসেবে শুল্কমুক্ত কোটায় বিদেশ থেকে এনেছিলাম।
পরে একটি চক্র আমার গাড়িটি বেনামি দেখিয়ে আলাদতে ভুল তথ্য দিয়ে আদালতকে মিসগাইড করে হাতিয়ে নিতে চাইছে। আগেও দু’বার এমন করা হয়েছে। আমি সংশ্লিষ্ট দফতরে লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছি।’
তেজগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানান, বিলাসবহুল একটি মাত্র গাড়ি আমার থানায় আছে। তাও প্রায় ১০ বছর ধরে এখানে আছে। গাড়িটি একটি মামলার আলামত হিসেবে এখানে আছে। তাই আদালতের অনুমতি ছাড়া কেউই এ গাড়ি নিতে পারবে না।

প্রতি মুহুর্তের সর্বশেষ খবর পেতে এখানে ক্লিক করে আমাদের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিন

(লেখাটি পড়া হয়েছে 38 বার)


Print
এই পাতার আরও সংবাদ